গত বছরে আগস্টেই চীনের উহানে কভিড-১৯-এর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল—হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের এ গবেষণা প্রতিবেদনকে অবিশ্বাস্যভাবে হাস্যকর বলে আখ্যায়িত করেছে চীন। চীন গত ৩১ ডিসেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে নতুন নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়টি অবহিত করে।
তবে হার্ভার্ডের প্রতিবেদনে গত বছরের আগস্টে উহানের হাসপাতালগুলোয় মানুষের যাতায়াতের স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ এবং ওই সময় মানুষের ইন্টারনেট সার্চের প্রবণতা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এ দুই তথ্যের ভিত্তিতে গবেষণাটিতে দাবি করা হয়েছে, গত বছরের আগস্টেই উহানের নাগরিকদের মধ্যে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিয়েছিল।
প্রতিবেদনটির প্রতিক্রিয়ায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনিং বলেছেন, ‘আমি মনে করি ট্রাফিক পরিমাণের মতো অগভীর পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে এ সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হাস্যকর, অবিশ্বাস্যভাবে হাস্যকর।’
গবেষণা প্রতিবেদনে পাক্ষিক-পর্যালোচনা করা হয়নি এবং অন্য বিজ্ঞানীরা বলেছেন, হার্ভার্ডের ওই ডাটা থেকে সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কঠিন।
স্ক্রিপ্ট রিসার্চ ট্রান্সলেশনাল ইনস্টিটিউটের এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, সমীক্ষাটিতে ব্যবহূত গবেষণা পদ্ধতিটি ছিল অত্যন্ত পরোক্ষ এবং অসম্পূর্ণ।
হার্ভার্ডের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরের আগস্টের দিকেই উহানের অধিবাসীদের ইন্টারনেটে কফ ও ডায়রিয়া থেকে উপশমের উপায় খোঁজার প্রবণতা বেশি ছিল। তারা এ দুটি বিষয়ে অনুসন্ধান করেছে সবচেয়ে বেশি। পরবর্তী সময়ে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের এ দুটি উপসর্গ সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে। একই সময়ে উহানের হাসপাতালগুলোয় মানুষের যাতায়াত হঠাৎ করেই বেড়ে গিয়েছিল। ওই সময়ের স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে এ তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন হার্ভার্ডের গবেষকরা।
বিবিসি





