নভেল করোনাভাইরাসে যে দেশগুলো সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে তার অন্যতম যুক্তরাজ্য। আক্রান্তের দিক থেকে নয় নম্বরে থাকলেও মৃত্যুর হিসাব বিবেচনা করলে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলের পরই তাদের অবস্থান। কিন্তু পরিস্থিতি এতটা খারাপ হওয়ার পরও দেশটির নাগরিকদের উদাসীনতা এখনো দূর হয়নি। আপনি যদি এখনো ইংল্যান্ডের কোনো ব্যস্ত দোকানে হাঁটেন কিংবা লন্ডনের পাতালরেলে চড়েন তবে আপনি এমন অনেক মানুষকে দেখবেন যারা কিনা মাস্ক পরেনি। এছাড়া আপনি পুনরায় চালু করা পাবগুলোতেও মুখ ঢাকার কথা ভুলেও চিন্তা করতে পারবেন না।
দেশটিতে এখন পর্যন্ত সব মিলিয়ে প্রায় ৪৫ হাজার লোক মারা গেছে। যেখানে তাদের আগে আছে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিল। উচ্চ মৃত্যুহারের বাইরে এই তিনটি দেশের আরেকটি মিল রয়েছে। তা হলো তিনটি দেশেরই মানুষেরা মাস্ক পরার বিরোধিতা করে।
ব্রিটেনের ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের প্রধান ভেনকি রামাকৃষ্ণান মঙ্গলবার বলেন, মাস্ক পরার দিক থেকে যুক্তরাজ্য অনেক পেছনে পড়ে আছে। তিনি বলেন, মাস্ক না পরাকে মদ্যপান করে গাড়ি চালানোর মতো অসামাজিক কাজ হিসেবে দেখা উচিত। এর পেছনে কারণ হচ্ছে একজন মাস্ক পরা মানুষ আরেকজনকে রক্ষা করতে পারে। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকেও দেখা গেছে মাস্ক পরে জনসম্মুখে আসতে।
সিএনএন





