নতুন গবেষণা জানাচ্ছে মানুষের ইমিউন সিস্টেমের কোষগুলো করোনাভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য জমা করে রাখে, যেন তা পরবর্তী সময়ে আবার লড়াইয়ে কাজে লাগাতে পারে। গবেষকরা দেখছেন করোনাভাইরাসকে মানুষের শরীরের কোষ বেশ সিরিয়াসভাবেই নিয়েছে।

করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে মানুষের শরীরের ইমিউনিটি নিয়ে গবেষণা করা বিজ্ঞানীরা শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি ইমিউনিটির লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন। এমনকি যাদের মধ্যে করোনাভাইরাস হালকা লক্ষণ তৈরি করেছে তাদের ইমিউন সিস্টেমও ভাইরাসটি প্রতিরোধে বেশ সক্রিয়। নতুন এক গবেষণা এমন তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইমিউন কোষ ‘বি সেল’ ও ‘টি সেল’ করোনাভাইরাসকে চিনতে সক্ষম। কভিড-১৯ থেকে মানুষ সুস্থ হয়ে ওঠার বেশ কয়েক মাস পরও এই কোষগুলো করোনাভাইরাসকে চিনতে পারে। 

ইউনিভার্সিটি অব অ্যারিজোনার ইমিউনোলজিস্ট দীপ্তা ভট্টাচার্য সংশ্লিষ্ট গবেষণা দলের একজন। তিনি বলেছেন, ‘যেমনটা ধারণা করা হয়েছিল সে রকমই প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে।’ তবে গবেষণাটির এখনো পিয়ার রিভিউ হয়নি। গবেষকরা অবশ্য এটা নিশ্চিত নন যে ইমিউন কোষগুলো কতদিন ধরে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য জমা রাখে।

নিউইয়র্ক টাইমস