গোটা বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিলেও করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে জাপান। যদিও গত কয়েক সপ্তাহে টোকিওসহ অন্যান্য শহর এলাকাগুলোতে কভিড-১৯-এর উল্লম্ফন দেখা গেছে। যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। কেউ কেউ দ্বিতীয় ঝড়ের আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এ বিষয়টি মাথায় রেখেই জাপানের অর্থমন্ত্রী ইয়াসুতোশি নিশিমুরা নতুন এক উদ্যোগ গ্রহণ করার কথা বলছেন। যেখানে তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে ৭০ শতাংশ কার্যক্রম টেলিকমিউটিংয়ের (ইন্টারনেট, ই-মেইল ও টেলিফোন ব্যবহার করে বাসা থেকে কাজ করা) মাধ্যমে করার আহ্বান জানাবেন। পাশাপাশি কর্মীদের মাঝে করোনার ক্রমবর্ধমান হার কমাতে সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধগুলোর পরিধি বাড়ানোর কথাও ভাবছেন।

সোমবার অর্থমন্ত্রী জাপানের গভর্নরদের সঙ্গে একটি ভিডিও মিটিং করেছিলেন। সেখানে তিনি বলেছেন, জাপানের ব্যবসায়ী নেতাদের ভাইরাসের বিস্তার কমানোর লক্ষ্যে টেলিকমিউটিংয়ের পরিধি বৃদ্ধি করার কথা বলা হবে। তখন তিনি যোগ করে বলেন, চলতি বছর জাপানে যখন জরুরি অবস্থা চলছিল তখন তা ৭০ থেকে ৮০ শতাংশে উন্নীত হয়েছিল, কিন্তু এরপর সেটি ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে।

এ সময় তিনি স্থবির হয়ে পড়া শিফটগুলো পুনরায় চালু করতে বলেন এবং কাজ শেষে খাওয়া ও আড্ডার বড় জমায়েতগুলো এড়িয়ে যেতে বলেছেন। 

দেশটিতে সংক্রমণের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকলেও সরকার অবশ্য আর কোনো জরুরি অবস্থা জারির পরিকল্পনা করছে না। সম্প্রতি প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ইউশিহিদে সুগা এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

রয়টার্স