কভিড-১৯-এ অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য প্লাজমা থেরাপি ব্যবহারের অনুমতি দেয়ার জন্য গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের সিদ্ধান্তটি বৈজ্ঞানিক প্রমাণের পরিবর্তে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সন্তুষ্ট করার ইচ্ছার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল। গত রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে এফডিএ কমিশনার স্টিফেন হ্যান চিকিৎসকদের বিস্মিত করে বলেছিলেন, কভিড-১৯-এ আক্রান্ত ১০০ জনের মধ্যে ৩৫ জন প্লাজমা চিকিৎসায় বাঁচতে পারেন।

হ্যানের এমন মন্তব্যে গবেষকরা ও চিকিৎসকরা বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলেন। এর একদিন পরই হ্যান প্লাজমার সুবিধাগুলো ভুলভাবে চিহ্নিত করার বিষয়টি স্বীকার করে তার বক্তব্যটি ফিরিয়ে নেন। তবে প্লাজমার ব্যবহার নিয়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানে এখনো যথেষ্ট বিভ্রান্তি রয়েছে, যা পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ এটি চিকিৎসক এবং তাদের রোগীদের মধ্যে যোগাযোগকে জটিল করে তোলে।

এফডিএর অনুমোদনের পর প্লাজমা থেরাপি কীভাবে ব্যবহার করা উচিত এবং কখন সম্ভবত এটি কার্যকর হবে সেগুলো নিয়েও নিশ্চিত কোনো উত্তর নেই। এ ধরনের প্রশ্নগুলো সাধারণত নিয়ন্ত্রিত এলোমেলো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলোর মাধ্যমে সমাধান করা হয়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ট্রায়ালগুলো সম্পন্ন করা কঠিন বা এমনকি অসম্ভবও হতে পারে।

সিএনএন