যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব ম্যাট হ্যানকক বলেছেন, কভিড-১৯-এর কোনো লক্ষণ না থাকলেও দেশটিতে অনেক মানুষ তাদের টেস্ট করাতে চাইছে এবং এমন মানুষদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
হ্যানকক বলেন, সিস্টেমের সুবিধা নিয়ে টেস্টের এমন ‘অপচয়’
প্রকৃতভাবে যাদের প্রয়োজন তাদের বিপদে ফেলছে। অতি সম্প্রতি হ্যানকক যারা টেস্ট করাতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছে তাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।
লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ের স্টার্মার সরকারকে সমস্যার কথা স্বীকার করে সমাধানের উদ্যোগ নেয়ার আহবান জানিয়েছেন।
কমন্সে স্টার্মারের কথার জবাব দিতে গিয়ে বরিস জনসন বলেছেন, ‘আমরা আজ যত ইস্যুর মুখোমুখি তার সবগুলোই মোকাবেলার জন্য কাজ করছি।’
জনসন আরো যোগ করেন টেস্টের চাহিদা এখন অনেক বেশি আর এমন অনেক মানুষ টেস্ট করাচ্ছে যাদের কভিডের কোনো লক্ষণ নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের ল্যাবগুলো এখন তাদের টেস্ট করার সর্বোচ্চ ক্ষমতাকে ব্যবহার করছে কিন্তু তার পরও টেস্টের আবেদন আসছে। তাই অনেকেই টেস্টের সুবিধা নিতে পারছে না বা দূরের কোনো কেন্দ্রে যেতে হচ্ছে।
তবে প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে টেস্টের সুবিধা দিতে কার্পণ্য করছে না ব্রিটেনের স্বাস্থ্য বিভাগ। হ্যানকক একটি স্কুলের জন্য সারা বছরের টেস্টিং কিট পাঠানোর ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, এগুলো অবশ্যই প্রয়োজনীয়।
অনেকে ভ্রমণে যাবে বলে টেস্ট করাতে চাইছে। যুক্তরাজ্যে লক্ষণযুক্ত যেকোনো মানুষ বিনা মূল্যে কভিডের পরীক্ষা করাতে পারে।
যুক্তরাজ্যের টেস্টিং ব্যবস্থা ব্যর্থ হয়েছে এমন অভিযোগ মানতে নারাজ মি. হ্যানকক। তিনি বলেছেন, ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জনপ্রতি টেস্টিং সুবিধা সবচেয়ে বেশি আছে যুক্তরাজ্যেই।
বিবিসি





