ক্লোন করা অ্যান্টিবডি থেকে ইনজেকশন তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। করোনা আক্রান্ত রোগীদের প্রাথমিক অবস্থার চিকিৎসায় এ ইনজেকশন দারুণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট গবেষকরা।

নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এরই মধ্যে চার লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, তারা অ্যান্টিবডি চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিরাট এক সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে হাজির হয়েছেন।

ব্রিটিশ-সুইডিশ ওষুধ প্রস্তুতকারণ কোম্পানি আস্ত্রাজেনেকা জানিয়েছে, তারা করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসার জন্য ক্লোন করা অ্যান্টিবডির ইনজেকশন তৈরি করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী প্যাসকেল সোরিওট গার্ডিয়ানকে বলেছেন, চিকিৎসায় একটি ইনজেকশন ডোজে দুটি অ্যান্টিবডির মিশ্রণ ব্যবহার করা হবে।

প্যাসকেল সোরিওট আরো বলেন, অ্যান্টিবডি থেরাপি বয়স্ক ও ঝুঁকিতে থাকা রোগীদের জন্য জরুরি কারণ তাদের দেহ ভ্যাকসিনে সাড়া নাও দিতে পারে। তবে তিনি এটিও জানিয়েছেন যে এ ইনজেকশন ভ্যাকসিনের চেয়ে দামি হবে।

আস্ত্রাজেনেকা কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের সঙ্গে সম্প্রতি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিনের ৩০ কোটি ডোজ তৈরির জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটে ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। অক্সফোর্ডের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনটি এরই মধ্যে তারা তৈরি করেছে ট্রায়ালের জন্য। কোম্পানিটি জানিয়েছে, ট্রায়াল সফল হলে শরতের আগেই তারা ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসতে পারবে।

দ্য গার্ডিয়ান