নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব মেনে বিশ্বজুড়ে সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু হয়েছে। বিমানের কেবিনগুলোকে পুনরায় বিন্যাস করে ঘুমের উপযোগী এবং ডাবল ডেকারের একটি নকশাকে কভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে বিমানের ভবিষ্যৎ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এর ডিজাইনার জেফরি ও’নিল তার সৃষ্টি ‘জেফির সিট’কে মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে গেম চেঞ্জার হতে পারে বলে মনে করছেন।
কয়েক বছর আগে তখনকার দীর্ঘতম বিমান ভ্রমণ নিউইয়র্ক থেকে সিঙ্গাপুরের মধ্যে একটি নিদ্রাহীন ভ্রমণের পর ও’নিল এই কাজে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। ঘুমের উপযোগী হিসেবে ধারণাটি শুরু করলেও মহামারীতে এটা খুব কার্যকরী বলে মনে করেন তিনি।
জেফির অ্যারোস্পেসের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী ও’নিল বলেন, আমরা বিশ্বাস করি নতুন ভ্রমণকারীদের গোপনীয়তার প্রয়োজন হবে বা ঘুমের ব্যবস্থার জন্য তারা অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে চান। জেফির সিটে ২-৪-২ কনফিগারেশনে ডাবল ডেকার আসন সরবরাহ করতে পারবে এয়ারলাইনসগুলো। এর মাধ্যমে বেশির ভাগ বৈশ্বিক এয়ারলাইনস তাদের বিদ্যমান প্রিমিয়াম ইকোনমিক ক্যাবিনগুলোর দ্বারা একইসংখ্যক আসন বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
ডাবল ডেকার ধারণাটি বিমানের বিদ্যমান স্থান ব্যবহার করেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ও’নিল ব্যাখ্যা করেন, আমরা মূলত একটি সিটের ওপর আরেকটি সিট বসাব। আবার এটা দ্বিস্তরবিশিষ্ট হলেও খুব বেশি উঁচুতে নয়। ওপরের সিটটি বিমানের মেঝে থেকে মাত্র সাড়ে চার ফুট ওপরে। এ ডিজাইনে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে যাত্রী হ্রাস করার প্রয়োজন হবে না এবং এয়ারলাইনসগুলো আগের সংখ্যায় যাত্রী পরিবহন করতে পারবে। ধারণাটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং সহযোগী এবং বড় এয়ারলাইনসগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো সংস্থার সঙ্গে চুক্তি হয়নি বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সিএনএন





