গ্ল্যামারাস কাজের চেয়ে ফার্মের পশুদের ভাইরাস নিয়ে গবেষণা করা জরুরি। ইংল্যান্ডের গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিরব্রাইট ইনস্টিটিউট ঠিক এ কাজই করে আসছে। তবে সম্প্রতি তারা খুব অযাচিত প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। কয়েক মাস ধরে তারা ষড়যন্ত্র তত্ত্বের শিকার হচ্ছে, যেভাবে করোনাভাইরাস মহামারীর পরিকল্পনার জন্য বিল গেটসকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। ফোনকল ও মেইলের মাধ্যমে তারা এ ধরনের গুজবের শিকার হচ্ছে।

সংস্থাটির হেড অব কমিউনিকেশন তেরেসা মাঘান বলেন, আমরা আগে কখনো এ ধরনের অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হইনি। কিছু ভাষ্য বেশ ভয়াবহ ছিল। যেমন আমাদের হত্যাকারী বলা হয়েছে। পেটেন্ট সম্পর্কে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য পোস্ট দেয়ার মাধ্যমে এটা শুরু হয়েছিল। ইনস্টিটিউটের একটি পেটেন্ট রয়েছে, তবে সেটা মুরগিকে প্রভাবিত করে এমন একটি পূর্বপরিচিত করোনাভাইরাসগুলোর একটি ভ্যাকসিন গবেষণার সঙ্গে যুক্ত।

তিনি বলেন, বিল গেটস ও মেলিন্ডা গেটস পিরব্রাইট প্রকল্পের প্রধান অর্থদাতা ছিলেন। বিল গেটসের সঙ্গে এ সংযোগের সূত্র ধরে ইনস্টিটিউটকে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র তত্ত্বের নিশানা করা হয়েছে। ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের দাবি কভিড-১৯ ভ্যাকসিন থেকে বিশাল লাভের জন্য গেটস ভাইরাসটির পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন আক্রমণের পরও মার্চের শেষ দিকে পিরব্রাইট অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যের পাবলিক হেলথের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কভিড-১৯-এর একটি সম্ভাব্য ভ্যাকসিন শূকরের শরীরে পরীক্ষা শুরু করেছে।

সামাজিক মিডিয়া পর্যবেক্ষণ টুল ক্রাউডট্যাঙ্গল বলছে, পিরব্রাইট সম্পর্কে ১৬ জানুয়ারি থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত ১ লাখ ৯১ হাজার ভুয়া পোস্ট হয়েছে, যেটা আগের ছয় মাসে ছিল মাত্র ৭১১টি। এমনকি একটি ভুয়া পিরব্রাইট ওয়েবসাইট তৈরি করে সেটা বিক্রি করার প্রস্তাবও দেয়া হয়েছিল।

বিবিসি