মানবদেহে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে কীভাবে বিভিন্ন ইমিউন প্রোটিনকে ব্যবহার করা যায়, তা নিয়ে গবেষকরা কাজ করছেন।

নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডি ভাইরাল কণাকে শনাক্ত করতে পারে এবং সেগুলোকে মানুষের কোষের বাইরে রাখে, ভেতরে আসতে দেয় না। এ অ্যান্টিবডি সার্স-কোভ-টু ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মানুষের ইমিউন সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। একই সঙ্গে করোনাভাইরাসের চিকিৎসায়ও আশা জাগাচ্ছে এ অ্যান্টিবডি।

পাসাডেনায় ক্যালিফোর্নিয়া ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে পামেলা জোর্কম্যানের নেতৃত্বে গবেষণা করছে একটি দল। তারা সার্স-কোভ-টু-এর স্পাইক প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত আটটি নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডির থ্রিডি আকার তৈরি করেছে। এ স্পাইক প্রোটিনের মাধ্যমেই করোনাভাইরাস হোস্ট দেহের কোষে পা রাাখে বা আবাস তৈরি করে। যাহোক নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডির থ্রিডি মডেল দেখাচ্ছে যে এদের বিভিন্ন শ্রেণীকে বিভক্ত করা যায়। এ শ্রেণীকরণের ভিত্তি হচ্ছে অ্যান্টিবডি হোস্টের কোষের সঙ্গে স্পাইক প্রোটিনের সংযোগের কোন অংশটি শনাক্ত করতে পারে।

আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা থেকে দেখা গেছে মিউটেশনের মাধ্যমে ভাইরাস নিউট্রালাইজিং অ্যান্টিবডির একটি শ্রেণীকে ফাঁকি দিতে পারলেও অন্য শ্রেণীর কাছে আটকে যায়।

শুরু থেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সুরক্ষা ও চিকিৎসায় অ্যান্টিবডি আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। সবার মনেই প্রশ্ন ছিল, অ্যান্টিবডি কতদিন একজন মানুষকে সুরক্ষা দেয়? এ প্রশ্নের জবাব পেতে উদ্বিগ্ন মানুষ ভিন্ন উত্তর পেয়েছেন। সর্বশেষ গবেষণা অনুসারে করোনাভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করা অ্যান্টিবডি অন্তত তিন মাস মানুষের শরীরে থাকে।

নেচার জার্নাল