সুস্বাস্থ্যের অধিকারী এবং তরুণদের ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে—এমনটাই জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন। তিনি বলেছেন, শুরুতে স্বাস্থ্যকর্মী ও বেশি ঝুঁকিতে থাকা মানুষদের জন্য ভ্যাকসিন নিশ্চিত করা হবে। ভ্যাকসিন আবিষ্কারের পর কাদের আগে কিংবা পরে তা দেয়া হবে, সেটি নির্ধারণ করতে এখনো কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, ‘বেশির ভাগ মানুষ একমত হয়েছেন যে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু করতে হবে স্বাস্থ্যকর্মী, ফ্রন্টলাইনারদের। কিন্তু তাদের মধ্যেও কারা অধিক ঝুঁকিতে আছেন, সেটাও আপনাকে নির্ধারণ করতে হবে। তারপর বয়স্ক এবং অন্যদের ভ্যাকসিন দিতে হবে।’
তিনি আরো বলেন, ‘সামনের দিনে আরো অনেক গাইডেন্স আসছে। তবে আমার মনে হয় সুস্বাস্থ্যের অধিকারী একজন মানুষ, একজন তরুণকে ভ্যাকসিন পাওয়ার জন্য ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
স্বামীনাথন আশাবাদী যে ২০২১ সালে অন্তত একটি কার্যকর ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে। তবে সেটা উপলব্ধ হবে সীমিত পরিমাণে।
তিনি সতর্ক করেছেন নভেল করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হার হ্রাস নিয়ে সন্তুষ্টিতে ভোগার বিষয়ে। তার কথায় সংক্রমণের কেসের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়বে। ‘সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে সংশ্লিষ্ট মৃত্যুর হার বৃদ্ধিতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তাই এখন মৃত্যুর হার কমে এসেছে বলে নিশ্চিন্ত হওয়ার কিছু নেই।’
উদ্বেগের খবর হচ্ছে, মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে অতি সম্প্রতি জার্মানি একদিনে সর্বোচ্চসংখ্যক সংক্রমণের কেস দেখেছে। এর আগে ২৮ মার্চ ছিল সর্বোচ্চসংখ্যক কেস ৬ হাজার ২৯৪টি। আর সম্প্রতি একদিনে পাওয়া গেছে ৬ হাজার ৬৩৮টি কেস।
দ্য গার্ডিয়ান





