সময়ের সঙ্গে সঙ্গে করোনাভাইরাস পরীক্ষার সক্ষমতা বাড়লেও প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। বড় ল্যাবগুলোতে পরীক্ষা ক্ষমতার প্রায় অর্ধেক ব্যবহূত হচ্ছে। এজন্য ধারণা করা হচ্ছে নতুন আক্রান্তের সামগ্রিক হার হ্রাসে কম পরীক্ষা অবদান রাখছে। তবে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভাইরাসটির বিস্তারকে কার্যকরভাবে শনাক্ত করতে পরীক্ষার সংখ্যা বাড়ানো উচিত।
আমেরিকান ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরি অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যমতে, তাদের ল্যাবগুলোতে সাপ্তাহিক পরীক্ষা জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে প্রায় ২ দশমিক ৮ মিলিয়নের তুলনায় গত সপ্তাহে এ সংখ্যা ২ দশমিক ১ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দেশটিতে পরীক্ষার সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। গত সোমবার ল্যাবগুলো ১ লাখ ৮০ হাজার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করেছে, যা জুনের পর সর্বনিম্ন সংখ্যা।
কয়েকজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এ প্রবণতাকে উদ্বেগজনক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। রকফেলার ফাউন্ডেশনে মহামারী প্রতিক্রিয়ার নির্দেশনা দেয়া ডা. জোনাথন কুইক বলেছেন, আরো বেশি পরীক্ষার প্রয়োজন হলেও নাটকীয় হ্রাস দেখা যাচ্ছে। আমেরিকার উচিত আগামী অক্টোবরের মধ্যে সপ্তাহে ৩০ মিলিয়ন পরীক্ষার সক্ষমতা অর্জন করা।
ল্যাবগুলোতে পরীক্ষা কমার পেছনে অবশ্য ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের নির্দেশনা রয়েছে। পরিবর্তিত নির্দেশনায় সংক্রমিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকলেও লক্ষণহীন লোকদের পরীক্ষার পরামর্শ দিচ্ছে না সংস্থাটি। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরি মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. ফেরিক ফ্যাং বলেছেন, পরীক্ষা হ্রাসের ফলে কম সংক্রমণ শনাক্ত হতে পারে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হ্রাস ইঙ্গিত দেয় যে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা সত্যিই হ্রাস পাচ্ছে।
তবে আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্লিনিক্যাল কেমিস্ট্রির সভাপতি দেশজুড়ে পরীক্ষার সংখ্যা হ্রাসকে অস্বাভাবিক ও বেমানান হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সিএনএন





