বিজ্ঞানীরা কভিড ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিশ্চিতে ভলান্টিয়ারদের প্রতি ঝুঁকি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তারা আহ্বান জানিয়েছেন পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন গ্রহণ করে আবার করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নিতে রাজি ভলান্টিয়ারদের কাছে, যেন ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিশ্চিত হওয়া যায়। আহ্বানকারী বিজ্ঞানীদের মধ্যে আছেন নোবেল বিজয়ীরাও।
বিজ্ঞানীরা ইউএস ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের প্রধানের কাছে একটি খোলা চিঠি দিয়েছেন, যাতে তারা বলেছেন এ রকম ‘চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল’
ভ্যাকসিনের আবিষ্কারকে ত্বরান্বিত করবে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কভিড-১৯ ভ্যাকসিন প্রকল্পের পরিচালক বলেছেন এ ধরনের পরীক্ষা ‘কার্যকর ও তথ্যসমৃদ্ধ’
হতে হবে। বর্তমানে করোনাভাইরাসের ২৩টি সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিশ্চিতের একমাত্র উপায় হচ্ছে ট্রায়ালে ভ্যাকসিন নেয়া ভলান্টিয়ার যদি স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যান এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে থেকেও যদি তিনি আক্রান্ত না হন।
খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ১০০ জন প্রথিতযশা বিজ্ঞানী, এদের মধ্যে আছেন ১৫ জন নোবেল লরিয়েট। চিঠিতে তারা বলেছেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তরুণ ভলান্টিয়ারদের ভ্যাকসিন দিয়ে আবার পরিকল্পিতভাবে কভিড আক্রান্ত করার চেষ্টা করা হবে। এতে তরুণদের স্বাস্থ্যঝুঁকি কম কিন্তু সমাজের জন্য এর অবদান হবে অনেক বেশি।
চ্যালেঞ্জ ট্রায়ালের জন্য এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনার ইনস্টিটিউটের পরিচালক। এই সংস্থাটি বর্তমানে কভিড-১৯-এর একটি আলোচিত প্রোটোটাইপ তৈরি করেছেন।
বিবিসি





