আপনি কি আপনার নাকের মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস প্রবেশ করাতে দিতে রাজি হবেন? এমন অনেক মানুষ রয়েছে, যারা সত্যিই একটি করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন তৈরির প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে চ্যালেঞ্জ ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করার প্রচার চালাচ্ছে।
অ্যালিস্টায়ার ফ্রেজার-আরউকার্ট তাদের মধ্যে অন্যতম একজন। ১৮ বছর বয়সী এ তরুণ সবেমাত্র এ-লেভেলের ফল পেয়েছেন। যদিও সরকারি ইউ-টার্ন না হওয়া পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে ক্যান্সার বায়োমেডিসিন অধ্যয়নের জন্য তার প্রয়োজনীয় গ্রেড ছিল না।
এজন্য এখন তিনি কভিড ভ্যাকসিন চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল নিয়ে কাজ করা ‘ওয়ান ডে সুনার’
দলের সঙ্গে এক বছর যুক্ত থাকার কথা ভাবছেন। তিনি বলেন, আমি কভিডের সর্বনিম্ন ঝুঁকির ক্যাটাগরিতে আছি। তাই আমি কেন এই সুযোগটিকে বেছে নেব না এবং কেন আমার চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিতে থাকা লোকদের বাঁচাতে সহায়তা করব না।
চ্যালেঞ্জ ট্রায়ালে স্বেচ্ছাসেবীদের একটি কভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেয়ার কয়েক সপ্তাহ পর সেটা তাদের সুরক্ষিত করছে কিনা, তা পরীক্ষা করার জন্য বাস্তবে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত করা হয়। তাদের ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ইউনিটে দুই সপ্তাহের জন্য কোয়ারেন্টিন করা হবে এবং তারা সংক্রমিত হয় কিনা এবং তাদের মধ্যে লক্ষণ দেখা যায় কিনা, তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়।
বিবিসি





