নভেল করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই ভাইরাসটির মিউটেশন (রূপান্তর) হচ্ছে বলে চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা। সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে বদলে যাচ্ছে। নতুন গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি মিউটেশন হওয়া কভিড-১৯-এর রূপগুলো কম মিউটেশন হওয়া ভাইরাল রূপগুলোর চেয়ে মানব কোষ ও হ্যামস্টারগুলোতে (ইঁদুরবিশেষ) বেশি সংক্রামক।
২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে গবেষকরা কভিড-১৯ আক্রান্ত লোকদের থেকে নমুনা সংগ্রহ করে ভাইরাসটির মিউটেশন শনাক্ত করেছিলেন। মিউটেশন ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রমকে পরিবর্তন করে, যা কিনা ভাইরাস কোষকে সংক্রমিত করতে ব্যবহার করে।
ডি৬১৪জি নামে পরিচিত অ্যামিনো-অ্যাসিড পরিবর্তিত এ রূপটি এ বছরের বসন্তে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় সাধারণ হয়ে ওঠে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া এখন প্রায় সব ভাইরাসই এ রূপটি বহন করছে। ডি৬১৪জির প্রভাবগুলো নির্ধারণের জন্য দুটি স্বতন্ত্র দল এটা নিয়ে পরীক্ষা করেছে। টেক্সাসের গ্যালভাস্টনে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল শাখা পেই-ইয়ং শি ও তার সহকর্মীরা একটি পরীক্ষা করেছেন। অন্যদিকে চ্যাপেল হিলের নর্থ ক্যারোলাইনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রালফ ব্যারিক ও তার সহকর্মীরা আরেকটি পরীক্ষা করেছেন।
উভয় দলই ভাইরাসটির মিউটেশন রূপগুলোর (ডি৬১৪জি) সঙ্গে কম মিউটেশন হওয়া রূপগুলোর তুলনা করেছিলেন। পেই-ইয়ং শির দলটি খুঁজে পেয়েছে, ডি৬১৪জি রূপগুলো মানব কোষগুলোতে আরো দক্ষতার সঙ্গে প্রতিলিপি তৈরি করেছে। ব্যারিকের দলটিও দেখতে পেয়েছে, ডি৬১৪জি রূপগুলো হ্যামস্টারগুলোর মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। দুটি গবেষণার ফলফলেরই এখনো পিয়ার রিভিউ করা হয়নি।
নেচার





