নভেল করোনাভাইরাস নানা উপায়ে মানবদেহকে আক্রান্ত করছে। সবার ক্ষেত্রে তাই উপসর্গগুলোও একই রকম থাকছে না। যেমন ডেবোরাহ কফলিন নামে এক রোগীর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, আক্রান্ত হওয়ার পর কাশি বা শ্বাসকষ্টের সমস্যা কোনোটাই নেই। তার জ্বরও ১০০ ডিগ্রির বেশি উঠছে না। পরে কেবল বমি ও ডায়রিয়ার কারণে তাকে ১ মে হাসপাতালের আইসিওতে ভর্তি করতে হয়েছে।
তার মেয়ে ক্যাথেরিনা কোলম্যান বলছেন, আপনার মনে হবে তার পেটে বোধ হয় কোনো ভাইরাস ছিল। তার হাঁটাচলাও খুব স্বাভাবিক ছিল।
কিন্তু আইসিও থেকেও কফলিন তার মেয়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছে। যেখানে তার রক্ত থেকে অক্সিজেন লেভেলও অনেক কমে গিয়েছিল, এ পর্যায়ে অনেক রোগী মৃত্যুর কাছাকাছি চলে যায়। এ রকম আরো এক রোগী রয়েছে যাদের এমন অদ্ভুত লক্ষণ দেখা গেছে। যা কিনা ডাক্তারদেরও বিভ্রান্তির মাঝে ফেলে দিচ্ছে।
মাউন্ট সিনাই হাসপাতালের প্রধান ফিজিশিয়ান ভ্যালেন্টিন ফুস্টার বলেন, শুরুতে আমরা বুঝতেই পারছিলাম না এর সঙ্গে কীভাবে মোকাবেলা করব। আমরা হঠাৎ করেই রোগীদের চোখের সামনে মরতে দেখছি। আমরা জানি না কেন এমন হচ্ছে, আমরা সম্পূর্ণ অন্য রকম এক অবস্থার মুখোমুখি হয়েছি।
শুরুর দিকে নির্দিষ্ট কিছু লক্ষণের কথা বলা হলেও এখন দেখা যাচ্ছে কভিড-১৯ অনির্ণেয় এক রোগ। যা আপনার শরীরের মাথা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত যেকোনো জায়গায় আক্রমণ করতে পারে। অনেক ডাক্তার এখন প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া এবং রক্ত জমাট বাঁধার জন্য এর ক্ষমতা এবং শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যার ওপর মনোযোগ দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করছেন। তবে ডাক্তাররাও বলছেন, তারা বুঝতে পারছেন না কেন একসঙ্গে এত রোগ দেখা যাচ্ছে।
দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট





