বিশ্বকে এক মহাদুর্যোগে ঠেলে দিয়েছে নভেল করোনাভাইরাস। ভাইরাসটির প্রসার ঠেকাতে দেশে দেশে চলছে লকডাউন। বৈশ্বিক যোগাযোগ এক অর্থে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে উৎপাদন থেকে শুরু করে আমদানি-রফতানি। তবে এ ভাইরাসের সংক্রমণজনিত মহামারী দরিদ্র দেশগুলোর জন্য আরেক দুযোর্গ বয়ে আনতে পারে। সরকারগুলো দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা করছে খাদ্য সরবরাহে যুক্ত থাকা বড় প্রতিষ্ঠান ও খাত সংশ্লিষ্ট সংস্থা। খবর গার্ডিয়ান।

জাতিসংঘ ফাউন্ডেশন, কৃষকদের বৈশ্বিক সংগঠন, একাডেমিক, সিভিল সোসাইটি গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে ইউনিলিভার, নেসলে এবং পেপসিকো বিশ্ব নেতাদের উদ্দেশে এক লিখিত বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তারা বলছে, নভেল করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্বব্যাপী ক্ষুধায় ভুগতে থাকা মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণ হতে পারে। এ অবস্থায় ভঙ্গুর অবস্থায় থাকা দেশগুলোয় খাদ্য সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাণিজ্যিক কারণে সীমান্ত খুলে দিতে বিশ্ব নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে এসব প্রতিষ্ঠান। পাশাপাশি টেকসই খাদ্য উৎপাদনের জন্য বিনিয়োগেরও আহ্বান জানানো হয়েছে। 

কভিড-১৯-এর কারণে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও মানবিক সংকট তৈরি হতে পারে উল্লেখ করে এসব প্রতিষ্ঠানগুলো এ মহামারী মোকাবেলায় সরকারগুলোকে সামষ্টিকভাবে কাজ করার ওপর জোর দিয়েছে। তারা বলছে, বর্তমান পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের কৃষকদের রক্ষা করা এবং খাদ্য সরবরাহ চেইন ঠিক রাখতে বিনিয়োগ করাটাই এখন মুক্ত বাণিজ্যের প্রধান কাজ হওয়া দরকার।

সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান