যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের সাবেক পরিচালক ডা. থমাস ফ্রিডেন বলেছেন, করোনাভাইরাসের যেকোনো ভ্যাকসিনের বিষয়ে প্রথম ভাবনাটি হতে হবে এটা মানবদেহের জন্য পুরোপুরি নিরাপদ কিনা তা খুঁজে দেখা। ‘এবারই প্রথম আমরা ভ্যাকসিন আসার আগেই ভ্যাকসিন-বিরোধী আন্দোলন দেখতে পাচ্ছি।’
অনলাইন নিউজ সাইট অক্সিয়োজে তিনি এ কথা বলেন।
ডা. থমাস ফ্রিডেন আরো বলেন, এ কারণে ভ্যাকসিনের যেকোনো ঝুঁকির বিষয়ে সৎ থাকতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরতে হবে। ‘এরই মধ্যে ভ্যাকসিনকে কেন্দ্র করে অনেক সন্দেহ ও দ্বিধা দানা বেঁধেছে।’
ফ্রিডেন বর্তমানে রিসলভ টু সেভ লাইভসের সভাপতি।
ডা. থমাস ফ্রিডেন বলেছেন, আমাদের একটি উদ্বেগ হলো ভ্যাকসিনেশনের ইমিউন প্রতিক্রিয়া। কারণ কভিড-১৯-এর বেশকিছু খারাপ অবস্থা ইমিউন-নিয়ন্ত্রিত। এ কারণে একটি তাত্ত্বিক প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে যে কভিডে শিশুদের মধ্যে কাওয়াসাকি রোগের মতো সেসব লক্ষণ দেখা যাচ্ছে সেগুলো ভ্যাকসিন গ্রহণের ফলে বেড়ে যাবে কিনা।
ভ্যাকসিন অনুমোদিত হলে সেটা মানুষের শরীরে প্রয়োগ শুরু হবে। ফ্রিডেন বলেন, সবার আগে স্বাস্থ্যকর্মীদের ভ্যাকসিন দিয়ে দেখাতে হবে যে সেটা কাজ করছে কিনা। আর কাজ করলে তিনি খুশি মনে ভ্যাকসিন গ্রহণ করবেন।
‘ভ্যাকসিন নিশ্চিত হওয়ার আগে অনেক বাধা রয়েছে। এটাকে কার্যকর ও নিরাপদ প্রমাণিত হতে হবে। সবার আগে থাকে এর কার্যকারিতা ও নিরাপত্তার প্রশ্ন। ভ্যাকসিনটা কি কাজ করছে? কতটা? কাদের ক্ষেত্রে? কত সময় এবং এটা কি নিরাপদ?’
সিএনএন





