বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জায়গায় কভিড-১৯ খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন জায়গায় যত বেশিসংখ্যক মানুষকে সম্ভব পরীক্ষা করা উচিত, তাতে যদি কিছু রিপোর্ট সঠিক ফল না দেয় তাও।
করোনাভাইরাস পরীক্ষার ক্ষেত্রে কোয়ানটিটেটিভ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (কিউপিসিআর) সার্স-কোভ-টুর সামান্যতম জেনেটিক নিশানাও শনাক্ত করতে পারে। অবশ্য এ পদ্ধতি বেশ ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ।
সম্প্রতি পরীক্ষার নির্ভুলতা ও সংখ্যার গুরুত্ব নিয়ে হার্ভার্ডের টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথে গবেষণা করেছেন মাইকেল মিনা ও তার সহকর্মীরা। তারা বিপুল পরিমাণ মানুষকে পরীক্ষা করলে তা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তারে কী ধরনের ভূমিকা রাখবে তার মডেল তৈরি করেছেন।
মাইকেল মিনা ও তার দল দেখেছেন যে সাপ্তাহিক নজরদারি পরীক্ষা, সে অনুযায়ী আইসোলেশন ভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার হ্রাসে ভূমিকা রাখে। এমনকি এতে পরীক্ষা পদ্ধতি কোয়ানটিটেটিভ পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশনের (কিউপিসিআর) মতো নির্ভুল না হলেও। এ ধরনের নজরদারি পরীক্ষা সাতদিন অন্তর না করে ১৪ দিনে করলে তা সংক্রমণের সংখ্যা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে সেখানে কোনো পরীক্ষা না করলে যেমনটা হতো তেমন। গবেষণাটি বর্তমানে প্রিপ্রিন্ট পর্যায়ে আছে, এর পিয়ার রিভিউ এখনো হয়নি।
দ্য নেচার ম্যাগাজিন





