কয়েক মাস ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং তাদের ঘনিষ্ঠদের সুরক্ষিত রাখার জন্য হোয়াইট হাউজের কৌশল ছিল সব দর্শনার্থীর র্যাপিড টেস্ট করে করোনা পরীক্ষা করা।
কিন্তু অ্যাবটের আইডি নাও নামে যে কিটটি তারা ব্যবহার করে, সেটির উদ্দেশ্য মোটেই তেমন কিছু ছিল না। পাশাপাশি এটি ভুল ফল দেয়ার জন্যও বিশেষভাবে কুখ্যাত। ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কর্তৃক জরুরি ব্যবহারের জন্য অনুমোদনের সময়েই বলা হয়েছিল যে এটি কেবল স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরাই ব্যবহার করবেন, তাও উপসর্গ দেখা দেয়ার সাতদিনের মধ্যে।
এ কিটটির কয়েকটি ইতিবাচক দিকও আছে, এটি সহজে বহনযোগ্য, পরিচালনার জন্য বিশেষ কোনো দক্ষতার প্রয়োজন হয় না এবং এটি ১৫ মিনিটের মধ্যেই ফল প্রদান করতে পারে। উপসর্গ আছে এমন কাউকে মূল্যায়ন করতে এটি ব্যবহূত হয় এবং এটি দ্রুত ও সহজেই কভিড-১৯ নির্ণয় করতে পারে। কিন্তু যেসব মানুষ আক্রান্ত কিন্তু কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি, তাদের ক্ষেত্রে এ টেস্টটির সঠিকতার মাত্রা কম। যেখানে প্রতি তিনটি কেসের ক্ষেত্রে একটি ধরা পড়ে না।
মে মাসে টেস্টে সমস্যা ধরা পড়ার অনেকগুলো রিপোর্ট সামনে আসে। তখন এফডিএর পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়, যারা এ টেস্টে নেগেটিভ এসেছে তারা যেন ল্যাবে পুনরায় টেস্ট করে নেয়।
কিন্তু তার পরও ট্রাম্প প্রশাসন নিয়মিতভাবে এ টেস্টটি ব্যবহার করে, যাদের উপসর্গ নেই তাদের পরীক্ষা করার জন্য। এমনকি যারা টেস্টে নেগেটিভ আসে তাদের মাস্ক ছাড়াই মিটিংয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়।
নিউইয়র্ক টাইমস





