করোনাভাইরাস মহামারীর শুরু থেকেই ভাইরাসটি নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় ভুল ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে পড়তে থাকে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো ডালপালা গজিয়ে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এটাকে সাধারণত ইনফোডেমিক হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে। অনলাইনে শেয়ার করা ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, মিথ্যা ও ভুল তথ্য, নিরাময় ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা সম্পর্কে প্রমাণিত না হওয়া তথ্যও এ ইনফোডেমিকের অন্তর্ভুক্ত।
কিন্তু বর্তমানে যে পরিমাণে ভুল তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর সেগুলোর বিরূপ প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ জানিয়েছে বিভিন্ন দেশের সরকারি কর্মকর্তা ও জনস্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। ভুল বা মিথ্যা তথ্য মানুষকে অতিমাত্রায় চিন্তিত করে তুলতে পারে।
তরুণ প্রজন্ম বিশেষত লকডাউন চালাকালীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত মাধ্যম ব্যবহারের কারণে এ ইনফোডেমিক দ্বারা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে যুবকদের মধ্যে তথ্য প্রচারের জন্য সামাজিক যোগাযোগ প্লাটফর্মগুলো অত্যন্ত জনপ্রিয়। দুর্ভাগ্যক্রমে এ মাধ্যমগুলোতে ছড়িয়ে যাওয়া অনেক তথ্য যাচাই করা হয় না এবং এগুলো সূত্রবিহীন। একদিকে এ প্লাটফর্মগুলো উদ্বেগ, আতঙ্ক ও মাত্রা বাড়ানোর ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করছে। মিমস ও ট্রলগুলোর মাধ্যমে অনলাইনে মহামারীর ধারণাকে তুচ্ছ করা হচ্ছে। এটা কেবল পরিস্থিতির গুরুত্বকেই হ্রাস করছে না, পাশাপাশি এটা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে তুলছে।
ধারাবাহিকভাবে প্রতারণা ছড়িয়ে পড়ার কারণে একদিকে মানসিক চাপ মাত্রা বৃদ্ধি পায়, অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর প্রতিও আসক্তি তৈরি হয়।
আউটলুক ম্যাগাজিন





