স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের মোট আক্রান্তের ৭ শতাংশের বেশি হচ্ছে শিশু। অন্যদিকে শিশুরা দেশটির মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ। মার্চ থেকে জুলাই পর্যন্ত দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সম্প্রতি এসব তথ্যের সঙ্গে গাইডেন্সের বিষয়গুলো হালনাগাদ করেছে ইউএস সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন ফর পেডিয়াট্রিশিয়ান।

সাম্প্রতিক গবেষণা দেখিয়েছে, শিশুদের নাকের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের মতোই একই পরিমাণ করোনাভাইরাস থাকতে পারে। এবং শিশুরা ঘরে বা জমায়েতে একইভাবে সংক্রমণ ছড়াতে পারে।

সিডিসি বলছে, এতদিন শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ কম থাকার কারণ সম্ভবত স্কুল বন্ধ থাকার কারণে তাদের ঘরে থাকা। কিন্তু এখন যুক্তরাষ্ট্রে স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খুলে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু এ অবস্থায় শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে দেশটিতে জোর বিতর্ক চলছে। অনেক স্কুলে শিক্ষকরা এমনকি ভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে পদত্যাগ করেছেন।

অ্যারিজোনার শিক্ষক ম্যাট চিকি স্কুল থেকে পদত্যাগ করেছেন। তিনি সিএনএনকে বলেছেন, ‘আমাকে ছোট একটা কক্ষে ৩০ বা তার চেয়ে বেশি শিশুর ক্লাস নিতে হয়। কক্ষের প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য পথ একটাই। স্কুলগুলোতে ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থাও ভালো না।’

আটলান্টার এক অভিভাবক কোর্টনি স্মিথ সম্প্রতি তার মেয়েকে পাবলিক স্কুল থেকে চার্টার স্কুলে ভর্তি করিয়েছেন। কারণ তিনি দেখেন এক ক্লাসরুমে ৩০-৪০ জন শিক্ষার্থী ক্লাস করছে এবং তাদের অনেকেই মাস্ক পরেনি।

সিএনএন