মহামারী নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থামাতে ঐকব্যদ্ধভাবে চেষ্টা করছেন গবেষকরা। সে ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রাইমেট গবেষকরা একত্র হয়েছেন বানর নিয়ে একটি গবেষণার জন্য, এটি শীর্ষস্থানীয় ভ্যাকসিন প্রার্থীদের মাঝে তুলনা করবে। যদিও ১০টি প্রার্থী এরই মধ্যে মানুষের মাঝে বড় আকারের পরীক্ষার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
তবে বানরের ওপর পরীক্ষার পরিকল্পনার সমর্থকরা বলছেন, মানুষের মাঝে চালানো ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলো হয়তো বিস্তৃত ডাটা সরবরাহ করতে পারবে না, যা কিনা নিরাপদ ও কার্যকর ভ্যাকসিনটি বেছে নেয়ার জন্য প্রয়োজন। বিপরীতে বানরের মাঝে তুলনামূলক পরীক্ষা কয়েক সপ্তাহের মাঝে আলো ফেলতে পারে কীভাবে প্রার্থীরা সম্ভাব্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে, কীভাবে ইমিউন প্রতিক্রিয়ার শক্তিকে চালিত করতে পারে এবং কীভাবে ভ্যাকসিন সংক্রমণ ও রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে পারে তার ওপর।
ওরেগন ন্যাশনাল প্রাইমেট রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক ও তুলনামূলক বানর গবেষণার সমর্থক ন্যান্সি হাইগউড বলেন, সবগুলো ডাটার প্রতি আমাদের নজর দেয়া উচিত এবং নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত, কোন কাজটা সেরা বলে মনে হচ্ছে?
তবে প্রস্তাবিত বানরের এ গবেষণা প্রকল্পটি কিছু সমস্যার মুখোমুখি হবে: এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় বানরের স্বল্পতা বেশি সংকট তৈরি করবে, অন্যান্য রোগের গবেষণাকে বিলম্বিত করবে এবং সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো এখন পর্যন্ত এটি তহবিল বরাদ্দ পায়নি।
যদিও হাগিউড বলেন, তিনি আশা করেন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আনন্দের সঙ্গে এ প্রচেষ্টায় সহায়তা দেবে। এ প্রকল্পের পেছনে আনুমানিকভাবে খরচ হবে ১০ মিলিয়ন ডলার।
সায়েন্স





