করোনাভাইরাস লকডাউনের কারণে যুক্তরাজ্যে স্কুলে বছরে কিছু শিক্ষার্থী এবং তাদের ধনী সমবয়সীদের মধ্যে ব্যবধান এক বছরের মধ্যে ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। গবেষকরা বলেছেন, উচ্চ বঞ্চনার জায়গাগুলোতে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী ও বিদ্যালয়গুলোতে জরুরি সমর্থন দিতে হবে।
ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের স্কুল বছর শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ন্যাশনাল ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশনাল রিসার্চের (এনএফইআর) করা দুই হাজারের বেশি বিদ্যালয়ের তিন হাজারের বেশি শিক্ষক ও প্রধানের সাক্ষাত্কারভিত্তিক গবেষণাটিতে এমন ব্যবধানের তথ্য উঠে এসেছে। গবেষণাটিতে দেখা গেছে, অনগ্রসর, শ্বেতাঙ্গ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিশুরা মার্চ থেকে তাদের ধনী বন্ধুদের তুলনায় পেছনে চলে গিয়েছিল।
শিক্ষকদের মতে, সব শিক্ষার্থীর জন্যই পড়াশোনা গড়ে তিন মাস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। স্বল্পবঞ্চিত অঞ্চলে মাত্র ১৫ শতাংশ শিক্ষার্থীর তুলনায় বিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী সর্বাধিক বঞ্চিত অঞ্চলে চার মাস বা তারও বেশি সময় হারিয়েছিল।
এনএফইআরের অনুমান, লকডাউনের কারণে ইংল্যান্ডের সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো পুনরায় খুলতে এবং প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত কর্মী, পরিষ্কার এবং আইটিসহ সব মিলিয়ে গড়ে ৭ লাখ পাউন্ডেরও বেশি ব্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে গড়ে ২ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ড ব্যয় হবে।
গবেষণাটিতে উঠে এসেছে, শিক্ষকদের সরবরাহ করা অনুমানের ভিত্তিতে ২০২০ সালের জুলাই মাসে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থী এবং তাদের ধনী সমবয়সী শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যবধানটি এক বছর আগের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেশি ছিল। তবে বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে পার্থক্য অন্তর্ভুক্ত হলে এটা আরো বেড়ে যাবে বলে তাদের ধারণা।
গার্ডিয়ান





