নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ৮১ বছর বয়সী সূর্যকান্ত ‘সুরি’
নাথওয়ানি হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন এবং ছেলের হাত ধরে আবেদন করেন, দয়া করে আমাকে প্রতিশ্রুতি দাও আমি যদি হাসপাতাল থেকে বাড়িতে যাই, আমাকে আর এখানে আনবে না।
৫৫ বছর বয়সী তার ছেলে রাজ নাথওয়ানি তার বাবার আবেদনে রাজি হন। তবে তিনি জানতেন তার বাবার করোনাভাইরাস থেকে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তার হাতে নেই।
একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার পরিচালক রাজ ইতিবাচক ছিলেন এবং তার বাবাকে বলেছিলেন, আপনি মারা যাবেন না। এখানে আমরা আপনার দেখাশোনা করব। যদিও রাজ জানতেন না তিনি কতটা সফল হবেন।
লন্ডনের বাসিন্দা রাজ বলেন, আমার কাছে দুটি বিকল্প ছিল; বাবাকে হাসপাতালে রাখা, এতে তাকে আর কখনো দেখতে না পাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে অথবা বাড়িতে নিয়ে নিজের সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করা। পুরো পরিবারের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে দেয়ার ঝুঁকি সত্ত্বেও আমি বাবাকে বাড়িতে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
রাজ তার ৮০ বছর বয়সী মাকে নিচতলার ঘরে আইসোলেশনে রেখে ওপরতলার একটি ঘরকে হাসপাতাল ওয়ার্ডে পরিণত করেছিলেন। হাসপাতালের পরামর্শ ও নিজের জ্ঞান দিয়ে রাজ তার বাবার তাপমাত্রা, রক্তচাপ ও অক্সিজেন স্যাচুরেশন রিডিংগুলো নিয়ে একটি গুগল স্প্রেডশিট তৈরি করেছিলেন এবং বিশ্লেষণ করেন। এছাড়া আগে থেকেই বাড়িতে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় অক্সিজেন সরবরাহের জন্য সিপিএপি মেশিন ছিল।
রাজের রাতদিন পরিশ্রমের ফলে তার বাবা ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। রাজ বলেন, তিনি খাওয়া শুরু করলেন এবং বললেন চা খুব খারাপ হয়েছে। পরে তিনি বাড়ির মধ্যে হাঁটাচলা করতে শুরু করেন। বাবার জন্য আমি বিশেষ কিছুই করিনি। সম্ভবত এটা ভাগ্য ছিল এবং তার যাওয়ার এখনো সময় হয়নি।
সিএনএন





