নভেল করোনাভাইরাস মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে বিশ্বজুড়ে সেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে সহায়তা করছেন বিজ্ঞানীরা। উচ্চ-প্রোফাইলের বায়োমেডিকেল রিসার্চ সুবিধার লন্ডনের ফ্রান্সিস ক্রিক ইনস্টিটিউটের গবেষকসহ অনেকেই তাদের একাডেমিক গবেষণাগারকে নভেল করোনাভাইরাসের পরীক্ষাকেন্দ্রে রূপান্তর করেছেন। এ বিষয়ে ক্রিক ইনস্টিটিউটে ক্যান্সার বিবর্তন নিয়ে পড়াশোনা করা দলের নেতৃত্ব দেয়া চার্লি সোয়াটন বিস্তারিত জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, প্রায় চার সপ্তাহ আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল যে লন্ডন লকডাউন হতে যাচ্ছে এবং ল্যাবগুলো ফাঁকা পড়ে থাকবে। বিজ্ঞানীরা ঘরে বসে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির হতাশাজনক প্রতিবেদন পড়তে চান না। একটা বিষয় আমাদের নাড়া দিয়েছিল যে দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনায় ইতালিতে বাজেভাবে ছড়িয়ে পড়া নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ার একটি কারণ ছিল র্যাপিড টেস্টিংয়ের অভাব। আমরা ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন হাসপাতালের (ইউসিএলএইচ) কাছ থেকেও সহযোগিতা পেয়েছি ।
চার্লি বলেন, আমাদের গবেষণাগারগুলোকে রূপান্তর করতে সঠিক জনবল, অবকাঠামো ও পরীক্ষা উপকরণের প্রয়োজন ছিল। এর মধ্যে আগে থেকেই আমাদের বায়োসেফটি-৩ স্তরের পরীক্ষাগার ছিল, বায়োসেফটি-৩ স্তরের প্রশিক্ষিত কর্মী, ১০-১৫টি আরটি-পিসিআর মেশিন এবং নমুনা থেকে আরএনএ বের করার পরিবেশ ও স্থান ছিল। বড় সমস্যা ছিল টেস্ট কিটের সীমিত সরবরাহ। এজন্য আমরা আমাদের আরএনএ জীববিজ্ঞানীদের সাহায্যে নিজস্ব টেস্ট কিট তৈরি করেছি। এজন্য আমাদের কিছু রাসায়নিক কিনতে হয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, পরবর্তী সময়ে আমাদের নিকটবর্তী হেলথ সার্ভিস ল্যাবরেটরিজ থেকে আমাদের নভেল করোনাভাইরাস পরীক্ষার অনুমতি দেয়া হয়। আমরা সব কাজই ইউসিএলএইচের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে করতাম। তারা আমাদের পরীক্ষার তদারকি করত।
নেচার





