গত সপ্তাহে পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন গ্রহণকারী চার ডজন চীনা শ্রমিককে পাপুয়া নিউগিনিতে প্রবেশে বাধা দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের বাসিন্দাদের জন্য তারা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে, এমন উদ্বেগের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।
পাপুয়া নিউগিনিতে মহামারী নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের প্রধান ডেভিড ম্যানিং বলেছেন, চীন পরিচালিত খনি রামু নিকেলের উদ্দেশ্যে আসা বিমানভর্তি শ্রমিকদের দেশে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না।
চীন গত মাসে কয়েক দল শ্রমিককে অপ্রমাণিত ভ্যাকসিন দেয়া শুরু করেছিল, যদিও সেটা নিরাপদ ও কার্যকর কিনা তা নির্ধারণের জন্য মানব ট্রায়ালগুলো সম্পন্ন হয়নি। চীন এ সপ্তাহে পাপুয়া নিউগিনিকে জানিয়েছিল, ১০ আগস্ট অপ্রমাণিত টিকা দেয়া ৪৮ জন শ্রমিককে পাঠানো হচ্ছে এবং কভিড-১৯ আক্রান্ত না হলেও তারা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হতে পারেন।
৯ মিলিয়ন মানুষের দেশ পাপুয়া নিউগিনিতে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটি বিস্তৃতভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। শুক্রবার পর্যন্ত দেশটিতে চারজনের মৃত্যুসহ ৩৬১ জন আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। ডেভিড ম্যানিং শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, পাপুয়া নিউগিনিতে আমদানি করা কোনো ভ্যাকসিনকে জোরালো ভ্যাকসিন ট্রায়াল, প্রটোকল ও পদ্ধতিগুলোর মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
তিনি একদিন আগে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, শ্রমিকদের বহন করা বিমানটি অবতরণ করতে দেয়া হবে না। কারণ ভ্যাকসিনটির মানব ট্রায়াল এখনো শেষ হয়নি, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং পাপুয়া নিউগিনি সরকার কর্তৃক অনুমোদিত নয়। ভ্যাকসিনটির ট্রায়ালগুলো সম্পর্কে এবং তারা দেশে এলে আমাদের জনগণের সম্ভাব্য ঝুঁকি বা হুমকি সম্পর্কে তথ্যের অভাবের কারণে আমি গতকাল ফ্লাইটটি বাতিল করে দিয়েছিলাম।
নিউইয়র্ক টাইমস





