ভারতের রাজধানী দিল্লিতে পুরুষদের চেয়ে বেশি নারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের শিকার হয়েছেন। নমুনায় দ্বিতীয় অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
সরকারি সমীক্ষাটিতে দেখা গেছে, ১৫ হাজারেরও বেশি বাসিন্দার মধ্যে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ লোকের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে কভিড-১৯ অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। এর আগে গত জুলাই মাসে প্রথম সমীক্ষায় ২৩ দশমিক ৪৮ শতাংশ মানুষের মধ্যে অ্যান্টিবডি শনাক্ত হয়েছিল।
দিল্লিতে এখন পর্যন্ত কভিড-১৯ ভাইরাসে দেড় লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত এবং ৪ হাজার ২৫৭ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ জরিপটি এ মাসের শুরুর দিকে পরিচালিত হয়েছিল। জরিপটিতে দেখা গেছে, রাজধানীর ২৮ দশমিক ৩ শতাংশ পুরুষের তুলনায় ৩২ দশমিক ২ শতাংশ নারীর শরীরে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছিল। তবে এমন পার্থক্যের কারণ জানা যায়নি। সামগ্রিকভাবে দিল্লির পরীক্ষিত ২৯ শতাংশ মানুষের শরীরে করোনাভাইরাসের অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছিল। এর অর্থ হলো দিল্লির প্রায় দুই কোটি মানুষের মধ্যে ৬০ লাখ মানুষ ভাইরাসটিতে সংক্রমিত হয়েছিল এবং সেরে উঠেছে।
দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যেন্দ্র জৈন বলেছেন, শহরটি হার্ড ইমিউনিটি তৈরি থেকে এখনো অনেক দূরে রয়েছে। তবে এটা ভালো যে প্রায় ২৯ শতাংশ মানুষ ভাইরাসটি থেকে সেরে উঠেছে এবং অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে, যা প্রথম সমীক্ষার ২৩ শতাংশ থেকে বেশি। তবে কিছু কিছু জায়গা হার্ড ইমিউনিটি ক্ষমতা ৪০-৭০ শতাংশের মধ্যে পৌঁছেছে।
ভাইরাসটিতে খারাপভাবে ক্ষতিগ্রস্ত পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর মুম্বাই ও পুনেতে একই রকম জরিপে দেখা গেছে, সেখানকার ৪০ শতাংশ মানুষের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছিল।
বিবিসি





