জরুরি করোনাভাইরাস সহায়তা হিসেবে ব্যবসায়ের পেছনে ৫২১ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিতরণ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার। এ সপ্তাহে সর্বশেষ জনগণ কীভাবে অর্থ পাচ্ছে, তার একটি আভাস পাওয়া যাচ্ছে। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের প্রকাশিত তালিকাটি প্রকাশের পর পেচেক প্রটেকশন প্রোগ্রাম (পিপিপি) নামে বিতর্কিত প্রোগ্রাম নিয়ে নতুন করে সমালোচনা শুরু হয়েছে।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন থিংক ট্যাংকের অতিথি জোশুয়া গটবাম বলেছেন, আমরা বলতে চাই না যে পিপিপি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ে সহায়তা করেনি—এটা করেছিল। তবে সুসংযুক্ত ছোট ব্যবসা প্রথমে এবং বেশির ভাগ সহায়তা পেয়েছে।
পিপিপি কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল ছোট ফার্মগুলোকে সহায়তা করা এবং মহামারীর মধ্যে সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়া রোধ করা। ফার্মগুলো যেন প্রাথমিকভাবে কর্মীদের বেতন পরিশোধ করতে পারে, এজন্য ব্যাংকের মাধ্যমে ঋণগুলো সরবরাহ করা হয়। তবে এটা উল্লেখযোগ্য সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, অর্থগুলো এমন বড় বড় সংস্থায় চলে গেছে, যাদের সহায়তার দরকার নেই। সহকারী পরিদর্শকরা সতর্কও করেছেন, স্বচ্ছতা ও তদারকির সমীবদ্ধতার কারণে এটা জালিয়াতির ঝুঁকিতে রয়েছে।
গত সোমবার প্রকাশিত তালিকায় এমন সংস্থার নাম রয়েছে, যেগুলো ১ লাখ ৫০ হাজার ডলারেরও বেশি ঋণ পেয়েছে। পাশাপাশি সেখানে তথ্যের কিছু ত্রুটিও দেখা গেছে। অর্থ প্রাপ্তির তালিকায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতার পারিবারিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ রাজনীতিবিদদের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে।
বাজেট নজরদারি গোষ্ঠী ট্যাক্সপেয়ার্স ফল কমন সেন্সের সভাপতি স্টিভ এলিস হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, পিপিপি প্রোগ্রামের অপব্যবহার হচ্ছে না বলে প্রমাণ করতে চাইলে সরকারকে আরো অনেক তথ্য সরবরাহ করতে হবে।
বিবিসি





