কভিড-১৯-এর লক্ষণগুলো ছয়টি পৃথক গ্রুপিংয়ের মধ্যে পড়ে বলে মনে করছেন গবেষকরা। গবেষক দলটি বলেছে, এর মাধ্যমে কোনো রোগীর ভেন্টিলেটর বা অন্যান্য শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তার প্রয়োজন হবে কিনা তা অনুমান করতে সহায়তা করতে পারে। অনুসন্ধানগুলো স্বাস্থ্যসেবা সরবরাহকারীদের হাসপাতালে যত্ন ও শ্বাসকষ্টের সহায়তা চাহিদার জন্য কয়েক দিন আগেই সতর্কতা দিতে পারে।

এটা রোগীদের গুরুতর অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকিতে সহায়তা করতে পারে। বর্তমানে দলটি যোগ করেছে, কভিড-১৯-এ হাসপাতালে থাকার গড় সময় ১৩ দিন।

প্রথম গ্রুপের সাধারণত ওপরের শ্বসনতন্ত্রের লক্ষণগুলো যেমন অবিরাম কাশি, পেশির ব্যথা থাকে। এই গ্রুপের প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা প্রয়োজন এবং ১৬ শতাংশ রোগী এক বা একাধিকবার হাসপাতালে যায়।

দ্বিতীয় গ্রুপেও মূলত ওপরের শ্বসনতন্ত্রের লক্ষণগুলো দেখা যায়। এ গ্রুপের ৪ দশমিক ৪ শতাংশ রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা প্রয়োজন এবং ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ রোগী এক বা একাধিকবার হাসপাতালে যায়।

তৃতীয় গ্রুপের লোকদের ডায়রিয়াসহ কয়েকটি অন্যান্য লক্ষণ দেখা যায়। যদিও এ গোষ্ঠীর মাত্র ৩ দশমিক ৭ শতাংশ রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা প্রয়োজন এবং প্রায় ২৪ শতাংশ রোগী অন্তত একবার হাসপাতালে গিয়েছিল।

চতুর্থ গ্রুপের লোকদের গুরুতর ক্লান্তি, অবিচ্ছিন্ন বুকে ব্যথা ও কাশি হওয়া প্রাথমিক লক্ষণ। তাদের ৮ দশমিক ৬ শতাংশের শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা প্রয়োজন এবং ২৩ দশমিক ৬ শতাংশ রোগী এক বা একাধিকবার হাসপাতালে গিয়েছে।

পঞ্চম গ্রুপের লোকদের বিভ্রান্তি, খাবার এড়ানো ও তীব্র অবসন্নতা দেখা দেয়। তাদের ৯ দশমিক ৯ শতাংশ রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তা প্রয়োজন এবং ২৪ দশমিক ৬ শতাংশ রোগী এক বা একাধিকবার হাসপাতালে গিয়েছে।

ষষ্ঠ গ্রুপের লোকদের শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা শুরু হওয়ার পাশাপাশি বিভ্রান্তি, ক্লান্তি ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল হয়। এ গোষ্ঠীর প্রায় ২০ শতাংশ লোকের শ্বাস-প্রশ্বাসের সহায়তার প্রয়োজন এবং ৪৫ দশমিক ৫ শতাংশ রোগী এক বা একাধিকবার হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

দ্য গার্ডিয়ান