দর্শক শূন্য মাঠে ফুটবল আয়োজন নতুন কোনো ঘটনা নয়। নানা কারণে অতীতে এমন দৃশ্য অনেকবার দেখা গেছে। নভেল করোনাভাইরাস মহামারী রূপ ধারণ করার আগেও দেখা গিয়েছিল এ দৃশ্য। তবে ভক্তদের বাইরে রেখে খেলোয়াড়দের মাঠে নামানো বেশ কঠিন কাজ। তাছাড়া করোনার পর পরিস্থিতি একটু ভালোর দিকে যাওয়ার পরও খেলা শুরু হলে ফাঁকা রাখা হতে পারে মাঠ। তার পরও অবশ্য বেশকিছু জটিলতা রয়েই যায়। 

নিশ্চিত না হলেও আগামী ৬ জুন থেকে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ মাঠে গড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। তেমনটা হলে বন্ধ হওয়ার ১২ সপ্তাহ পর ফের ফুটবল দেখা যাবে ইংল্যান্ডে। যেখানে ৫৬ দিনের মাঝে পাঁচটি স্তরের ৫৪১টি ম্যাচ খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দর্শক না থাকলেও প্রয়োজনীয় কাজ সারার জন্য এবং নিয়ম রক্ষার খাতিরে মাঠের ভেতর বেশকিছু মানুষ প্রয়োজন। সেই সংখ্যা ২০০ জনের ওপরে। 

ইএফএলের একজন নেতৃত্বস্থানীয় কর্তাব্যক্তি ইএসপিএনকে বলেন, মানুষ জানে না একটি ম্যাচ আয়োজন করতে কতজন গুরুত্বপূর্ণ স্টাফ মাঠের ভেতরে প্রয়োজন হয়। ম্যাচ যখনই মাঠে ফিরুক, ভেতরে অন্তত ১৫০-২০০ মানুষের থাকা অত্যাবশ্যক। ব্যাপারটা এমন নয় যে কেবল ২২ জন খেলোয়াড় ও ম্যাচ অফিশিয়াল দিয়ে খেলা হয়ে যাবে।

তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, দ্বাররুদ্ধ একটি ম্যাচেও ছয়জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা প্রয়োজন। তবে কোথাও কোথাও তা আরো অনেক বেশি হতে পারে। যেমন চ্যাম্পিয়নশিপ ম্যাচে দর্শক শূন্য মাঠেও খেলা পরিচালনা করতে প্রয়োজন হয় ন্যূনতম ১৬৬ জনের, যা প্রিমিয়ার লিগে হতে পারে ৩০০ জন পর্যন্ত। তবে কখনো কখনো আরো বেশি হতে পারে। 

ইএসপিএন