কভিড-১৯ মহামারীতে এখন নাকাল গোটা দুনিয়া। চীনে শুরু হয়ে এটি পৃথিবীর প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে চীনের পর ইউরোপের দেশ স্পেন, ইতালি ও যুক্তরাজ্যে সংক্রমণের মাত্রা ছিল সবচেয়ে বেশি। এর বাইরে যুক্তরাষ্ট্রও বেশ বিপাকে আছে করোনা নিয়ে। তবে কভিড-১৯-এর নতুন হটস্পট হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিলকে। দেশটির হাসপাতাল, মর্গ ও কবরস্থানগুলোয় এখন উপচে পড়া ভিড়।
এদিকে পরিস্থিতি এতটাই বিপর্যস্ত যে রিও ডি জেনিরোও এবং আরো অন্তত চারটি প্রধান শহরের মেডিকেল কর্মকর্তারা সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তাদের হাসপাতালগুলো চরম সংকটের পথে। এমনকি এ অবস্থায় তারা আর কোনো রোগী নেয়ার মতো পরিস্থিতিতে নেই। গতকাল পর্যন্ত ব্রাজিলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে জানা গেছে দেশটিতে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫৩ হাজার এবং মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ৬০০। তবে ধারণা করা হচ্ছে দেশটিতে প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরো অনেক বেশি হবে। এর মূলে রয়েছে পরীক্ষায় দেরি হওয়া এবং অপর্যাপ্ত কিট।
এর পরও দেশটির প্রেসিডেন্ট বোলসোনারো নিজের একগুঁয়ে অবস্থান থেকে সরে আসেননি। তার মতে, কভিড-১৯ একটি ছোট রোগ এবং এজন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার কোনো প্রয়োজন নেই। কেবল উচ্চঝুঁকিতে থাকা রোগীদের আলাদা করাটাই যথেষ্ট।
অথচ আমাজনের সবচেয়ে বড় শহর মানাউসে গণকরব খোঁড়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কারণ সেখানে মৃতের সংখ্যা অনেক বেশি। এখানকার শ্রমিকরা প্রতিদিন ১০০টি মরদেহ কবর দিচ্ছেন, যা কিনা আগের চেয়ে তিন গুণ।
দ্য গার্ডিয়ান





