ব্রাজিল থেকে আমদানি করা হিমায়িত চিংড়ি ও মুরগির ডানাগুলোর চালানে সম্প্রতি করোনাভাইরাসের উপস্থিতি পেয়েছে চীন। এ ঘটনার পর খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে ভাইরাসটির সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

তত্ত্ব অনুসারে, প্যাকেজিং থেকে সংক্রমণ ছড়াতে পারে। পরীক্ষাগারভিত্তিক গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু প্যাকেজিং উপকরণ যেমন কার্ডবোর্ড এবং বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিকের ওপর ভাইরাসগুলো

কয়েক দিন না হলেও কয়েক ঘণ্টা বেঁচে থাকতে পারে। তবে পরীক্ষাগারের বাইরেও ভাইরাসটি প্রতিলিপি তৈরি করতে পারে কিনা তা নিয়ে কিছু বিজ্ঞানী প্রশ্ন তুলেছেন।

ব্রিটেনের লিচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসপিরেটরি সায়েন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. জুলিয়ান তাং বলেছেন, পরীক্ষাগার আর বাইরের পরিবেশ আলাদা। বাইরের পরিবেশে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হয়, যার অর্থ ভাইরাসটি খুব বেশি সময় বেঁচে থাকতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের মতে, ভাইরাস রয়েছে এমন কোনো বস্তু বা পৃষ্ঠে স্পর্শ করার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হতে পারে। তবে এটাই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার মূল উপায় বলে মনে করা হয় না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, খাদ্য বা খাদ্য প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে কভিড-১৯ সংক্রমণের নিশ্চিত কোনো প্রমাণ নেই। এজন্য আপনার খাদ্য প্যাকেজিংকে জীবাণুমুক্ত করার দরকার নেই। তবে প্যাকেজিং খোলার পর এবং খাবার খাওয়ার আগে সঠিকভাবে হাত ধুয়ে নেয়া উচিত। আপনি যদি মুদি দোকানে কেনাকাটা করেন, তাহলে সম্ভব হলে দোকানে প্রবেশের আগে হাতে স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন এবং পণ্যগুলো কেনা শেষে ভালোভাবে হাত ধুয়ে নিন।

বিবিসি