নভেল করোনাভাইরাস শুরুর পর থেকে সামাজিক দূরত্ব, কোয়ারেন্টিন, আইসোলেশনসহ প্রতিদিন নতুন নতুন শব্দ করোনাভাইরাস-সংক্রান্ত শব্দভাণ্ডারে যুক্ত হচ্ছে। ইদানীং অনেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা একটি শব্দ ভয়ংকর ব্যবহার করছেন; পজিটিভ রেট বা ইতিবাচক হার।
কভিড-১৯ পরীক্ষা করা মানুষদের মধ্যে যারা ভাইরাসটিতে পজিটিভ হচ্ছেন তাদের শতাংশ হার এটি। অর্থাৎ পরীক্ষা করাদের মধ্যে কতজন আসলে সংক্রমিত সেটাই পজিটিভ রেট। সুতরাং, যত বেশি বেশি মানুষের পরীক্ষা করা হচ্ছে, মনোনিবেশটি পজিটিভ রেটের দিকে যাচ্ছে।
গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ফ্লোরিডার মিয়ামি-ডেড কাউন্টিতে আশ্চর্যজনকভাবে পজিটিভ রেট পাওয়া গেছে ২৬ শতাংশ। সুতরাং পরীক্ষা করাদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ২৬ জন ভাইরাসটিতে পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। সেখানে গত ১৪ দিনের গড় পজিটিভ রেট ছিল ২২ শতাংশ।
মিয়ামি-ডেড কাউন্টি মেয়র কার্লোস গিমেনেজের মতো অনেক কর্মকর্তা তর্ক বাড়ানোর পক্ষে ক্রমবর্ধমান পজিটিভ রেটের দিকে ইঙ্গিত করে বলেছেন, আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি কেবল আরো বেশি মানুষের পরীক্ষা করার ফল।
গত সোমবার গিমেনেজ সিএনএনকে বলেন, ইতিবাচক হারটাই আসল বিষয়। যেখানে শূন্য শতাংশ হার আদর্শ হতে পারে, সেখানে মিয়ামি-ডেড কাউন্টির লক্ষ্য দুই সপ্তাহ আগের মতো ইতিবাচক হার ১০ শতাংশের নিচে ফিরিয়ে নিয়ে আসা।
যুক্তরাষ্ট্রে আশাব্যঞ্জক হারে কভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা কমে গেলে জুন মাসের শেষের দিক থেকে আবার বাড়তে শুরু করেছে। দেশটিতে এখন ৩০ লাখের মতো নিশ্চিত আক্রান্ত রয়েছে।
সিএনএন





