নভেল করোনাভাইরাস প্রথম শনাক্তের পর থেকে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত গবেষণার বদৌলতে ভাইরাসটি নিয়ে প্রতিদিন নতুন নতুন বিষয় জানা যাচ্ছে। যদিও কভিড-১৯ কিছু মানুষকে গুরুতর জটিলতা থেকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে, আবার অনেক মানুষ লক্ষণহীন অবস্থাতেই থেকে যাচ্ছে। ভাইরাসটি কেন মানুষভেদে এমন ভিন্ন আচরণ করছে, তা এখনো নিশ্চিত হতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। নতুন একটি গবেষণায় ভাইরাসটির এমনই একটি ভিন্ন আচরণ উঠে এসেছে।
আফ্রকার একটি বৃহৎ স্টাডিতে দেখা গেছে, চলতি বছরের মাঝামাঝি নাগাদ ভাইরাসটি কেনিয়ার ৪ শতাংশ মানুষকে সংক্রমিত করেছিল। কিন্তু দেশটিতে স্বল্পসংখ্যক কভিড-১৯ মৃত্যুর পরিপ্রেক্ষিতে সংক্রমণের এ সংখ্যা আশ্চর্যজনক বেশি।
কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডিগুলোর উপস্থিতি সাধারণত ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা তুলে ধরে। কেনিয়ার কিফিলির কেইএমআরআই-ওয়েলকাম ট্রাস্ট রিসার্চ প্রোগ্রামের সোফি ইয়োগা ও তার সহকর্মীরা এপ্রিলের শেষ দিক থেকে জুনের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়ে কেনিয়ায় দান করা রক্তের নমুনাগুলোতে কভিড-১৯ অ্যান্টিবডির অনুসন্ধান করেছিলেন। এ নমুনাগুলোর ওপর ভিত্তি করে গবেষকরা অনুমান করেছেন, কেনিয়ার ৪ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ কভিড-১৯-এ সংক্রমিত হয়েছিল।
গবেষক দলটির এ অ্যান্টিবডির বিস্তারের অনুমান স্পেনের আগের একটি গবেষণা অনুমানের কাছাকাছি। যদিও স্পেন জুলাইয়ের প্রথম দিকে কভিড-১৯-এ সংক্রমিত ২৮ হাজার মানুষকে হারিয়েছিল। আর কেনিয়া একই মাসের শেষদিকে ৩৪১ জনকে হারিয়েছে। গবেষকরা লিখেছেন, কেনিয়ায় অ্যান্টিবডির উপস্থিতি ও করোনাভাইরাসে মৃত্যুর হারের মধ্যে তীব্র বৈপরীত্য ইঙ্গিত দেয়, আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের প্রভাব কমছে।
নেচার জার্নাল





