হিমশীতল মাছ ও মাংসের ওপর করোনাভাইরাস তিন সপ্তাহ ধরে বেঁচে থাকতে পারে বলে নতুন একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, ভাইরাসটি যেহেতু হিমায়িত তাপমাত্রায় বেঁচে থাকে সেহেতু খাবারগুলোর মাধ্যমে ভাইরাসটি প্রাদুর্ভাব ঘটাতে পারে।
সিঙ্গাপুরের সুপারমার্কেটের স্যামন মাছ, মুরগি ও শূকরের মাংসের আলাদা টুকরোর সঙ্গে ভাইরাসটির একটি নমুনা যুক্ত করা হয়েছিল। মাছ ও মাংসে ভাইরাসটি বাঁচতে পারে কিনা তা দেখতে সেগুলো হিমায়িত তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়েছিল। সেগুলো এমন পরিবেশে রাখা হয়েছিল, যা দেশগুলোর মধ্যে খাদ্য পরিবহনে ব্যবহূত হয়। অর্থাৎ স্ট্যান্ডার্ড রেফ্রিজারেশন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে হিমায়িত তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ২১ দিন পরও করোনাভাইরাস মাছ ও মাংসের নমুনায় উপস্থিত ছিল।
বিজ্ঞানীরা এখন হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন এটা দীর্ঘদিন ধরে কোনো করোনাভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত দেশগুলোর প্রাদুর্ভাবের ব্যাখ্যা দিতে পারে এবং এটা সম্ভবত ভবিষ্যতের স্পাইকের দিকে পরিচালিত করতে পারে।
সমীক্ষায় বলা হয়েছে, স্থানীয় সংক্রমণ নির্মূল হওয়া অঞ্চলগুলোতে পুনরায় কভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের একটি ব্যাখ্যা প্রয়োজন। ভিয়েতনাম, নিউজিল্যান্ড ও চীনের এমন কিছু অঞ্চলে সম্প্রতি প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যেখানে কয়েক মাস ধরে কোনো সংক্রমণ হয়নি। করোনাভাইরাসযুক্ত খাদ্য এবং খাদ্য প্যাকেজিংয়ের আমদানি এ ধরনের প্রাদুর্ভাবের একটি সম্ভাব্য উৎস। যদিও এটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে যুক্তিযুক্ত হতে পারে যে দূষিত খাবারের মাধ্যমে সংক্রমণ বড় কোনো সংক্রমণের উৎস নয়, কভিড-১৯ নেই এমন অঞ্চলে দূষিত পণ্যগুলোর চলাচলের সম্ভাবনা এবং প্রাদুর্ভাবের সূচনার বিষয়ে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুমান সরবরাহ করে।
দ্য সান





