ব্রাজিল, নিউজিল্যান্ড ও বলিভিয়া থেকে আমদানি করা পশুর মাংস ও ভুঁড়ি এবং প্যাকেজিংয়ে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে চীন। এর আগে গত আগস্টে আমদানি করা হিমায়িত মুরগির প্যাকেজিংয়ে করোনাভাইরাস পাওয়ার পর থেকে হিমায়িত খাবারের প্যাকেজিং পরীক্ষা করে আসছে দেশটি।

চীনের পূর্বাঞ্চলীয় শহর জিনানের পৌর স্বাস্থ্য কমিশন শনিবার গভীর রাতে তাদের ওবেয়সাইটে একটি বিবৃতি দিয়ে করোনাভাইরাস পাওয়ার বিষয়টি জানিয়েছে। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, খাবারগুলোর আমদানিকারক ছিল গুয়োতাই ইন্টারন্যাশনাল গ্রুপ ০০২০৯১.এসজেড ও সাংহাই জংলি ডেভেলপমেন্ট ট্রেডের একটি ইউনিট। সাংহাইয়ের ইয়াংশান বন্দর শুল্ক ও বাইরের বন্দরের শুল্ক বিভাগ দিয়ে পণ্যগুলো প্রবেশ করেছিল। এ ঘটনায় পণ্যগুলো ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত ৭৫০ জনেরও বেশি মানুষকে পরীক্ষার আওতায় নিয়ে আসা হয়েছিল। তবে সবাই ভাইরাসটিতে নেগেটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছে।

চীনা কর্তৃপক্ষ গত সপ্তাহে লানজু শহরে সৌদি চিংড়ির প্যাকেজিং, উহান শহর ব্রাজিলিয়ান মাংস এবং শ্যানডং ও জিয়াংসু প্রদেশ আর্জেন্টিনার মাংসের প্যাকেজিংয়ে ভাইরাসটির উপস্থিতি পেয়েছিল। চীন বিশ্বে মাংসের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা এবং ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা বৃহত্তম সরবরাহকারী।

শুক্রবার আর্জেন্টিনা থেকে আমদানি করা হিমায়িত শূকরের মাংসের প্যাকেজিংয়ে করোনাভাইরাস পেয়েছিল চীনের হেনান প্রদেশের রাজধানী ঝেংঝু। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গুদামে ঢোকানোর আগে স্ক্রিনিংয়ের সময় পণ্যের ব্যাচটি ভাইরাসে দূষিত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। যদিও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, হিমায়িত খাবার থেকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি কম। তবে চীন আমদানীকৃত খাদ্যপণ্যগুলোতে ভাইরাস শনাক্ত করার পর বারবার আমদানি নিষিদ্ধকরণের পথে হাঁটছে।

রয়টার্স