যুক্তরাষ্ট্র আগামী সপ্তাহে তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে প্রবেশ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বায়োটেকনোলজি সংস্থা মডার্নার সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ এ ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে। এই ধাপের ট্রায়ালে ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীকে যুক্ত করার আশা করা হচ্ছে এবং ভ্যাকসিনটি কভিড-১৯ থেকে মানুষকে সুরক্ষা দেয় কিনা তা পরীক্ষা করা হবে।
ভ্যাকসিনে মেসেঞ্জার আরএনএ ব্যবহার করা হয়, যা প্রোটিন তৈরির জন্য কোষ দ্বারা ব্যবহূত একটি অণু। এক্ষেত্রে করোনাভাইরাসটির স্পাইক প্রোটিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন, যা ভাইরাস নিজেকে মানুষের কোষের সঙ্গে সংযুক্ত করতে এবং সংক্রমিত করতে ব্যবহার করে।
জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে নিউ ইংল্যান্ড জার্নাল অব মেডিসিনে ভ্যাকসিনটির প্রথম ধাপের ফলাফল প্রকাশিত হয়েছিল। তবে সেগুলো ক্ষণস্থায়ী ছিল। তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে মাঝারি ডোজ হিসেবে ১০০ মাইক্রোগ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
সিএনএন





