কভিড-১৯ শরীরে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তবে আশা করা হচ্ছে রোগীরা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সুস্থ হয়ে উঠবে। দুটি প্রাথমিক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।
গত সোমবার ইউরোপিয়ান রেসপিরেটরি সোসাইটি ইন্টারন্যাশনাল কংগ্রেসে উপস্থাপিত দুটি প্রাথমিক গবেষণা প্রতিবেদনে বর্ণনা করা হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে ফুসফুসের দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতি হতে পারে এবং কিছু ক্ষেত্রে মানসিক ক্ষতিও হতে পারে। গবেষণায় যুক্ত অস্ট্রিয়ার ইন্সবার্কের ইউনিভার্সিটি ক্লিনিকের ক্লিনিক্যাল পিএইচডি শিক্ষার্থী ডা. সাবিনা সাহানিক একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেছেন, খারাপ খবরটি হলো কভিড-১৯ থেকে সেরে ওঠার কয়েক সপ্তাহ পর ফুসফুসের ক্ষতি প্রকাশ হতে পারে। আর সুসংবাদটি হলো এ ক্ষতি সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রশমিত হয়। এর অর্থ ফুসফুসের ক্ষতি সারিয়ে তোলার ব্যবস্থা আছে।
সাহনিকের গবেষণায় কভিড-১৯-এ আক্রান্ত গুরুতর ৮৬ জন রোগীর তথ্য অন্তর্ভুক্ত ছিল। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে সাহানিক জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়ার ছয় সপ্তাহ পর রোগীদের মূল্যায়ন করা হয়েছিল এবং তারপরে সম্প্রতি ১২ সপ্তাহের মাথায় তাদের আবার মূল্যায়ন করা হয়। ২৪ সপ্তাহে গিয়ে তাদের তৃতীয় মূল্যায়ন করা হবে।
সিএনএন





