নভেল করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে বিশ্বব্যাপী দেশগুলো নানা কৌশল অবলম্বন করছে। একইভাবে সম্প্রতি জাপান সরকারও কভিড-১৯ মোকাবেলায় সামাজিক আচরণের নতুন গাইডলাইন নিয়ে এসেছে। তবে সরকারের এ নীতিমালা পছন্দ হচ্ছে না জনসাধারণের। যে কারণে ব্যাপক সমালোচনার মুখেও পড়তে হচ্ছে জাপান সরকারকে। এর আগে জাপান সরকার দেশে জরুরি অবস্থার সময়কাল ৩১ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে।

এদিকে জানা গেছে, জাপানে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা কমে এসেছে। কিন্তু তার পরও জরুরি বিধিনিষেধগুলো বলবৎ থাকবে এবং নতুন গাইডলাইনও মেনে চলতে হবে।

জাপানে ‘নিও নরমাল’-এ পরিণত হওয়া বিধিনিষেধগুলোর মাঝে স্থায়ীভাবে ফেস মাস্ক পরার কথা বলেছেন বিষেজ্ঞরা। এছাড়া দুজন ব্যক্তির মাঝে ২ মিটার (৬.৫ ফুট) দূরত্ব বজায় রাখা, যতটা সম্ভব টেলিওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে (বাসায় বসে, ফোনে কিংবা অনলাইনে কাজ করা) কাজ সারা, গণজমায়েত থেকে দূরে থাকা এবং নিয়মিতভাবে হাত ধোয়ার মাধ্যমে কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি লড়াই করার কথা বলা হয়েছে।

তবে সরকারের দেয়া বেশকিছু নির্দেশনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। যেখানে করোনা রোধে রেস্টুরেন্টের বাইরে বসে খাওয়া এবং কথা বলার সময় পাশাপাশি বসার পরামর্শ অন্যতম। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে এক ব্যক্তি লিখেছেন, আমি হতবাক। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশের বিশেষজ্ঞ এমন পরামর্শ দিতে পারেন না। কেবল জাপানেই সম্ভব। ব্যাপারটা এমন যে তারা ভাইরাস নিয়ে পড়াশোনা করেছে, মানুষের আচরণ নিয়ে না। ভাইরাসের চেয়ে যেটা বেশি ভয়ংকর তা হলো অজ্ঞ লোকেরা পরামর্শ দিচ্ছে কীভাবে এটা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

সিএনএন