মনিক জ্যাকসন মনে করেন মহামারীর শুরুর দিকেই তিনি কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। ছয় মাস কেটে যাওয়ার পর এখনো তিনি অসুস্থ। হাজারে একজন মানুষ আছে যারা কভিড আক্রান্ত হওয়ার পর পুরোপুরি সেরে উঠছে না।

জ্যাকসন তার বিভিন্ন শারীরিক সমস্যার লক্ষণ এবং চিকিৎসার ব্যর্থ চেষ্টাগুলোর বিবরণসহ অলংকরণ করা একটি ডায়েরি লিখছেন।

জ্যাকসনের সমস্যাকে বলা হচ্ছে ‘লং-টেইল কভিড’। এটা কিছুটা দুর্লভ ঘটনা। ডাক্তাররা সবেমাত্র এ বিষয়টি নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন। জ্যাকসন কভিডে আক্রান্ত হয়েছিলেন মার্চ মসে। এখনো তার শরীর থেকে কভিডের সব লক্ষণ চলে যায়নি।

নেগেটিভ হওয়ার কয়েক মাস পর তিনি তার শরীরে কী হচ্ছে, সে বিষয়টা বুঝতে অস্থির হয়ে উঠেছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে জ্যাকসন খুবই সক্রিয় মানুষ। তিনি নিয়মিত থাই বক্সিং করতেন, ১২ মাইল সাইকেল চালিয়ে সেন্ট্রাল লন্ডনে যেতেন কর্মস্থলে।

কিন্তু গত ছয় মাসে তার জীবন একেবারে বদলে গেছে। এখন তার ঘরের দেয়ালে ঝোলে এমন একটি নির্দেশনা যেগুলো মেনে চলে তিনি নিজের জন্য কিছুটা শক্তি বাঁচিয়ে রাখতে পারেন।

‘আমি মোটেই অলস মানুষ নই,’ বলেন জ্যাকসন। কিন্তু এখন অবস্থাটা এমন সারা দিনে হয়তো তিনি একবার মাত্র ঘরে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামতে পারেন। শরীর কোনোভাবেই তার কথা শুনছে না। সম্প্রতি তিনি ইনস্টাগ্রামে তার এসব অসুস্থতা, লক্ষণের ছবি এঁকে পোস্ট করছেন। ছবিসহ ব্যক্তিগত ডায়েরি। জ্যাকসন এভাবে এ রকম লক্ষণ বয়ে বেড়ানো অন্য মানুষদের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছেন।

বিবিসি