বর্জ্য প্লান্টগুলোতে নভেল করোনাভাইরাসের উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাপানি গবেষকরা। এটা এমন একটি সন্ধান, যা ভবিষ্যতের প্রাদুর্ভাবগুলোর বিষয়ে সতর্কসংকেত হিসেবে কাজ করতে পারে।

প্রিপ্রিন্ট জার্নালে প্রকাশিত তোয়ামা প্রিফেকচারাল বিশ্ববিদ্যালয়, কানাজাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথভাবে করা এ সমীক্ষায় পশ্চিম জাপানের ইশিকাওয়া ও তোয়ামা প্রদেশের চারটি ট্রিটমেন্ট প্লান্টের পানি পরীক্ষা করা হয় এবং সংগৃহীত ২৭টি নমুনার মধ্যে সাতটিতে কভিড-১৯ পজিটিভ পাওয়া গেছে।

অনুসন্ধানগুলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের এ ধরনের গবেষণাগুলোর প্রমাণ সরবরাহ করে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের পরীক্ষাটি প্রতিটা অঞ্চলের প্রত্যেককে পরীক্ষা না করেই কোনো অঞ্চলে সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা অনুমান করতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গবেষণাটিতে সরাসরি জড়িত না থাকা কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ইউকি ফুরুস বলেন, চলমান কমিউনিটি ট্রান্সমিশন সম্পর্কে মানুষকে আগাম সতর্ক করতে নর্দমার পানি পরীক্ষা করা যেতে পারে।

কভিড-১৯ সংক্রমণের সম্ভাব্য দ্বিতীয় ঝড় মোকাবেলায় জাপান তার পরীক্ষা কৌশল সংশোধন করছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, প্রায় আট হাজার জনের অ্যান্টিবডি পরীক্ষায় টোকিওতে সংক্রমণের হার শূন্য দশমিক ১ শতাংশ, ওসাকায় শূন্য ১৭ শতাংশ এবং গ্রামীণ মিয়াগি প্রদেশে সংক্রমণের হার দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ পাওয়া গিয়েছে।

একই দিন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কভিড-১৯ নেতিবাচক হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হতে পুনরায় পলিমারাইজ চেইন রিঅ্যাকশন (পিসিআর) পরীক্ষার পরিবর্তে অ্যান্টিজেন পরীক্ষার ব্যবহারকে অনুমোদন দিয়েছে। মিরাকা হোল্ডিংস ইনকরপোরেশনের সহায়তায় জাপানে উৎপাদিত এ অ্যান্টিজেন পরীক্ষাগুলো পিসিআর পরীক্ষার ৬ ঘণ্টার পরিবর্তে ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে ফলাফল সরবরাহ করে।

রয়টার্স