কভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি হওয়া রোগীদের মাঝে পালংশাক, ডিম, শক্ত ও নীল পনির থেকে পাওয়া ভিটামিন ‘কে’র ঘাটতি দেখা গেছে। এটা আশাবাদ বাড়িয়েছে যে এ খাবারগুলো ভাইরাসটির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করতে পারে।

কভিড-১৯ রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ফুসফুসে স্থিতিস্থাপক তন্তুগুলোকে অবক্ষয়ের দিকে পরিচালিত করে। ভিটামিন কে খাবারের মাধ্যমে খাওয়ার ফলে এটা গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্রাক্টে শোষিত হয়। আর এটা প্রোটিন তৈরির চাবিকাঠি, যা রক্ত জমাট বাঁধাকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং রোগ থেকে ফুসফুসকে রক্ষা করে।

এটা নিয়ে ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের জন্য ডাচ গবেষকরা এখন অর্থের সন্ধান করছেন। প্রকল্পটিতে কাজ করা বিজ্ঞানী ডা. রব জ্যানসেন বলেন, প্রাথমিক ফলাফলের ভিত্তিতে রক্ত পাতলা করার ওয়ারফিন ওষুধ গ্রহণের পরিবর্তে আমি ভিটামিন কে-এর স্বাস্থ্যকর গ্রহণকে উৎসাহিত করব। আমার পরামর্শ হলো ভিটামিন কে-এর পরিপূরক গ্রহণ করা। এমনকি যদি এটা গুরুতর কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে সহায়তা নাও করে তবে এটা আপনার রক্তনালি, হাড় এবং সম্ভবত ফুসফুসের জন্য ভালো।

তিনি বলেন, আমাদের চারপাশে ভিটামিন কে১ ও কে২-এর অনেক উৎস রয়েছে। পালংশাক, ব্রকোলি, সবুজ সবজি, ব্লুবেরি, সব ধরনের ফল ও শাকসবজিতে ভিটামিন কে১ রয়েছে। শরীর কে২ আরো ভালো শোষণ করে। এটা ডাস পনির ও ফ্রেঞ্চ পনিরে রয়েছে।

গার্ডিয়ান