নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বেশ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে লাতিন আমেরিকার দেশ পেরু। এরই মধ্যে দেশটিতে কভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা ৫ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। তবে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। করোনায় বিপর্যস্ত লাতিন দেশগুলোর মাঝে ব্রাজিলের পরই এখন পেরুর অবস্থান। সব মিলিয়ে পেরুর অবস্থান নয় নম্বরে। বর্তমানে দেশটির হাসপাতালগুলোয় চিকিৎসাধীন আছে কভিড-১৯-এ সংক্রমিত ৯ হাজার রোগী। যার ফলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এখন ভেঙে পড়ার উপক্রম। সে সঙ্গে দেখা দিয়েছে নানা ধরনের সংকটও। যার মাঝে অক্সিজেনস্বল্পতা অন্যতম।

এমন অবস্থা থেকে মুক্তির লক্ষ্যে পেরুর সরকার বৃহস্পতিবার অক্সিজেনকে ‘কৌশলগত স্বাস্থ্য সরঞ্জাম’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। মূলত অক্সিজেনস্বল্পতায় সৃষ্ট বিপর্যয় লাঘব করার লক্ষ্যে এই পথ নিতে হয়েছে দেশটিকে। এছাড়া হাসপাতালগুলোর অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থাও বেশ দুর্বল। দেশের প্রেসিডেন্ট মার্টিন ভিজকেরাও বলেছেন, স্বাস্থ্যসেবায় অক্সিজেনের ব্যবহারকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ব্যবহারের চেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিতে হবে।

সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ৮০ দিনের বেশি সময় ধরে লকডাউন চলছে পেরুতে। পাশাপাশি রাতের বেলা কারফিউ এবং সীমান্ত বন্ধ রাখার বিধিনিষেধও জারি আছে দেশটিতে। যদিও তাতে অবস্থার খুব বেশি উন্নতি হয়নি। এরই মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ১৪৬ জন পুলিশ কর্মকর্তা, ৬১ জন ডাক্তার ও জরুরি স্বাস্থ্যকর্মী, ২০ জন সাংবাদিক এবং ৮ জন ফায়ার ফাইটার। দেশের করোনা রোগীর ৭০ শতাংশই আবার কেবল রাজধানী লিমা এবং কাছাকাছি কালাও বন্দর এলাকার।

বিবিসি