লিফটের জন্য আরো বেশি সময় দাঁড়িয়ে থাকা, একই অবস্থা বাথরুম ব্যবহার করতে গিয়েও। সহকর্মীদের সঙ্গে আলাপ, কিংবা সাক্ষাৎও কম। এগুলো সবই করোনা-পরবর্তী অফিস সংস্কৃতির অংশ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চ্যালেঞ্জার, গ্রে অ্যান্ড ক্রিসমাস ১৫০ জন মানবসম্পদ নির্বাহীর সঙ্গে আলাপ ও জরিপের মাধ্যমে ওপরের দৃশ্যকল্পটি তুলে ধরেছে। 

জরিপে অংশ নেয়া ৯৩ শতাংশ এমপ্লয়ার বলেছেন, তারা কর্মীদের মাস্ক সরবরাহ করবেন এবং অফিসে মাস্ক ব্যবহার করতেই হবে। যদি ভিজিটরদের অফিসে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হয় সেক্ষেত্রে ৭০ শতাংশ নির্বাহী মনে করেন তাদেরও মাস্ক পরতে হবে। অবশ্য ৮২ শতাংশই অফিসে ভিজিটর নিষিদ্ধ নয়তো সীমিত করার পক্ষে।

অবশ্য গ্লাভস ব্যবহারে বেশি আগ্রহ দেখাননি জরিপে অংশ নেয়া মানবসম্পদ নির্বাহীরা। মাত্র ১৪ শতাংশ মনে করেন যে কর্মীদের হাতের গ্লাভস পরার দরকার আছে। তবে হাত ধোয়ার ব্যাপারটি মানতেই হবে।

৯৩ শতাংশ নির্বাহী বলেছেন, অফিসের বাথরুম, কনফারেন্স হল কিংবা বিশ্রাম কক্ষ কোথাও বেশি জমায়েত হতে পারবেন না অফিসের কর্মীরা। অফিসের আয়তনের সঙ্গে সামাঞ্জস্য রেখে নিরাপদ বলে গণ্য হবে সে সংখ্যক কর্মীকে রাখা হবে। কর্মীদের পরস্পরের সঙ্গে ছয় ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। আর সব নির্বাহীই বলেছেন যে অফিস পরিচ্ছন্ন ও জীবাণুমুক্ত রাখার জন্য আনেক বেশি মনোযোগ দেয়া হবে।

সিএনএন