অন্যান্য দেশের মতো পাকিস্তানেও নভেল করোনভাইরাসের প্রকোপ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। দেশটির জন্য পরিস্থিতিকে আরো প্রতিকূল করে তুলেছে চিকিৎসকদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা উপকরণের (পিপিই) অভাব। পর্যাপ্ত সংখ্যক পিপিইর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন দেশটির চিকিৎসকরা। তাদের এ প্রতিবাদ কর্মসূচীতে হামলা চালিয়েছে পুলিশ। অনেক চিকিৎসককে আটক করার অভিযোগও পাওয়া গেছে।

পুলিশের হাতে ‘প্রহৃত ও লাঞ্চিত’ হওয়ার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকারী আমানুল্লাহ নামে চিকিৎসক বলেন, শুরুতে আমি ভেবেছিলাম কিভাবে পুলিশ কভিড-১৯-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধের সামনের সারির লড়াকুদের সঙ্গে সহিংস হতে পারে? যেখানে কিনা এ পুলিশ অফিসাররাই কিছুদিন আগে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমাদের স্যালুট দিয়েছেন।

তিনি বলেন, লাঠি এবং একে-৪৭-এর বাটের আঘাতে আমাদের জর্জরিত করা হয়েছে। আমাদের রাস্তা দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং টেনে তুলে ট্রাকে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে। 

হামলার পর কর্মসূচী পালনকারী ৬০ চিকিৎসককে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়। 

আমানুল্লাহ যে হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কাজ করেন, সেখানকার কার্ডিও বিভাগের প্রধানসহ ১৬ জন কভিড-১৯-এ আক্রান্ত  হয়েছেন। এমনকি অনেক অন্য রোগের রোগীও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন।

সূত্র: দ্যা গার্ডিয়ান