আগামী সেপ্টেম্বর-নভেম্বরেই করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছেন ভ্যাকসিন প্রস্তুতের গবেষণায় রত অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রায়াল লিডার স্যার জন বেল। ব্রিটিশ জনগণ কবে নাগাদ টিকা গ্রহণ করতে পারবে বলে তিনি ভাবছেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে স্যার জন বলেছেন আগামী ক্রিসমাস।

এর পরই যুক্তরাজ্যভিত্তিক রেডিও স্টেশন এলবিসির উপস্থাপক ম্যাট ফ্রেই হতবাক হয়ে অধ্যাপককে স্মরণ করিয়ে দেন যে অনেক বিশেষজ্ঞ প্রাথমিকভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যে ২০২১ সালের মার্চের আগে ভাইরাসটির কার্যকর ভ্যাকসিন প্রস্তুত হবে না।

তখন অধ্যাপক বেল বলেন, ভ্যাকসিন ব্যবসায় অনেক জ্ঞানী লোক আছেন, যারা এ সমস্যাটিকে মান উন্নয়ন কর্মসূচিতে পরিণত করেছিলেন, যা তাদের ২০২১ সালের মাঝামাঝি সময়ে একটি সমাধান দেয়। আমি মনে করি না তারা স্বীকার করেছে যে আপনি প্রক্রিয়াটির গতি বাড়িয়ে নিতে পারেন। এটা আপনাকে অন্তত তিন মাস বা তারও বেশি সময় বাঁচিয়ে দেবে।

স্যার জন বেল বলেন, জেনার ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের মতো করে আপনি ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালগুলো করতে পারেন, যা ভ্যাকসিন প্রস্তুতের স্বাভাবিক পদ্ধতির তুলনায় অনেক দ্রুত এবং অনেক বেশি দক্ষ। সুতরাং অনেক উপায় আছে, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি প্রক্রিয়াটিকে গতিশীল করতে পারেন। তাই আমি মনে করি অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন ব্যর্থ হলেও আমরা ভ্যাকসিন প্রস্তুতের পদ্ধতি চিরতরে পরিবর্তন করতে পারব। অন্য সব ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারীরাও এটা অনুসরণ করছে।

তিনি অনুমান করেন, সবকিছু যদি পরিকল্পনা অনুযায়ী হয়, তবে আগামী সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হতে পারে। বিশ্বজুড়ে একই ধরনের প্রোগ্রাম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ‘আমার ধারণা সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে উন্নয়নশীল বিশ্বে, যুক্তরাষ্ট্র এবং সম্ভবত ইউরোপের বাকি অংশগুলোতেও ভ্যাকসিন দেয়া শুরু হবে।’

এক্সপ্রেস