যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংখ্যালঘু গোষ্ঠী করোনাভাইরাসের সবচেয়ে ভয়ানক আঘাতের শিকার হয়েছে। কিন্তু ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলেও তার সুবিধা তারা অন্যদের চেয়ে বেশি পাবেন কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়।
অন্যদিকে আরো একটি প্রশ্ন সামনে এসেছে। ভ্যাকসিন ট্রায়ালে কি এসব সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর সদস্যরা অংশ নেবেন কিনা, কারণ সরকারের ওপর তাদের যথেষ্ট অবিশ্বাস রয়েছে। এ প্রশ্ন সম্প্রতি তুলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এনআইএইচের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ বিভাগের পরিচালক ডা. জন মাসকোলা।
তিনি বলেন, ‘আমরা ভাবছি যে কীভাবে ভ্যাকসিন পরীক্ষা করা হবে...প্রশ্নটা
হলো আমরা কি যথেষ্ট পরিমাণ ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারব, যা দিয়ে ব্যাপকসংখ্যক মানুষকে ভ্যাকসিন দেয়া যাবে। ভ্যাকসিনের দাম কি মানুষের হাতের নাগালে রাখা যাবে।’
যুক্তরাষ্ট্রে কারা নির্ধারণ করবে কারা আগে ভ্যাকসিন পাবে। জন মাসকোলা মনে করেন যেহেতু ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সরকার অর্থায়ন করছে তাই সরকারিভাবেই এ ভ্যাকসিন বিতরণ করা হবে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন এক সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভ্যাকসিনের ট্রায়ালের জন্য এখন কৃষ্ণাঙ্গ মানুষেরা সহজে রাজি হবে না বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ তারা এখন সরকারের প্রতি আস্থা হারিয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন কৃষ্ণাঙ্গ ও হিসপানিক জাতির নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় উপেক্ষিত থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে তাদের মধ্যেও অবিশ্বাস বাড়বে, যা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল ও বিতরণে সমস্যা তৈরি করবে।
সিএনএন





