বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরিতে জোর প্রচেষ্টা চলছে। এরই মধ্যে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন তৃতীয় তথা সর্বশেষ ধাপের ট্রায়ালে পৌঁছে গেছে। তবে ভ্যাকসিন বিকাশের এই ধাপে এসে ভাইরাসটির বিস্তৃত সংক্রমণের স্থান এবং অনেক স্বেচ্ছাসেবকের দরকার হয়। আর অনেক দেশে বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে সংক্রমণের হার কমে আসায় ব্রাজিলকে আদর্শ স্থান হিসেবে দেখছেন ভ্যাকসিন বিশেষজ্ঞরা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যাকসিন গবেষণার অগ্রগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও উন্নত ভ্যাকসিন অধ্যয়নের মধ্যে তিনটি ব্রাজিলের বিজ্ঞানী ও স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর নির্ভর করছে।

দেশটির সরকার আশা করছে, তাদের নাগরিকরা পৃথিবীতে প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে পারে। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা এ সম্ভাবনাটি কল্পনা করছেন যে ব্রাজিল এমনকি এই ভ্যাকসিন তৈরি করতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে রফতানি করতে পারে।

একটি ভ্যাকসিন গবেষণায় জড়িত ফেডারেল ইউনিভার্সিটি অব সাও পাওলোর প্রেসিডেন্ট সোরায়া স্মাইলি বলেছেন, ব্রাজিলে গবেষণার জন্য স্বেচ্ছাসেবীদের নিয়োগ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়নি। এখানকার নাগরিকরা এগিয়ে এসেছে এবং প্রত্যেকেই সমাধানের অংশ হতে চায়।

ব্রাজিলে উন্নয়নশীল বিশ্বের অন্যতম সেরা টিকাদান কর্মসূচির সঙ্গে একটি সার্বজনীন জনস্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা রয়েছে।

নিউইয়র্ক টাইমস