গবেষকরা বলছেন, শিশুদের ক্ষেত্রে কভিড কাশির সমস্যার চেয়ে পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে।
কভিড আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হওয়া গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। এ কারণে তারা যুক্তরাজ্যের এনএইচএসকে কভিডের লক্ষণের তালিকাকে হালনাগাদ করার পরামর্শ দিয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রে এখনো পর্যন্ত সাধারণ লক্ষণগুলো হলো উচ্চ তাপমাত্রা, কফ এবং ঘ্রাণ ও স্বাদের অনুভূতি হ্রাস পাওয়া।
সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বেলফাস্টের কুইনস ইউনিভার্সিটির গবেষকরা নিশ্চিত করেছেন যে শিশুদের ক্ষেত্রে পেটের সমস্যা কভিড-১৯-এর লক্ষণ হতে পারে। ‘আমাদের গবেষণা দেখাচ্ছে কফ কিংবা ঘ্রাণ ও স্বাদের অনুভূতির পরিবর্তনের চেয়ে শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি কভিডের নিশ্চিত লক্ষণ।’
বলেছেন সংশ্লিষ্ট গবেষণার প্রধান ডা. টম ওয়াটারফিল্ড। তিনি মনে করেন, শিশুদের সংক্রমণ বিষয়ে ধারণা নিতে তাদের মধ্যে ডায়রিয়া কিংবা বমির সমস্যা হচ্ছে কিনা সেদিকে নজর দেয়া প্রয়োজন।
ডা. টম ওয়াটারফিল্ড বলেন, বর্তমানে যে তিনটি লক্ষণকে জোর দিয়ে শিশুদের কভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে তাতে ৭৬ শতাংশ পজিটিভ পাওয়া যাচ্ছে। এক্ষেত্রে যদি পেটের সমস্যাটি লক্ষণের তালিকায় যুক্ত করা হয়ে তাহলে এ পরীক্ষায় পজিটিভ পাওয়া যাবে অন্তত ৯৭ শতাংশকে। অর্থাৎ শিশুদের শনাক্ত করার ক্ষেত্রে বড় ধরনের সাফল্য দেখা যাবে।
দ্য গার্ডিয়ান





